সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট ভূঞাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩ শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মহাদেবপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, আহত ১ শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শ্রীমঙ্গলে বই পড়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি হাজী মুজিব মহাদেবপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি

বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটলো

স্পোর্টস ডেস্ক:

দুর্নীতির অভিযোগে বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। আপাতত কিছুটা স্বস্তির খবর বার্সা সমর্থকদের জন্য। উয়েফা তাদের তদন্ত কার্যক্রম স্থগিত করে জানিয়েছে, আসন্ন মৌসুমে বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে বাধা নেই।

আপাতত ২০২৩-২৪ মৌসুমকে উল্লেখ করেছে উয়েফা। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, বার্সেলোনার বিপক্ষে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ভবিষ্যতে প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত কার্যক্রম আবার শুরু হবে।

বার্সেলোনার বিরুদ্ধে রেফারিকে ঘুস প্রদানের অভিযোগ সামনে আসে গত ফেব্রুয়ারিতে। স্পেনের প্রসিকিউর অফিস জানায়, বার্সার সাবেক সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তাম্যুর সময়ের ঘটনা সেটি।

অভিযোগ আছে, তৎকালীন লা লিগা রেফারিদের টেকনিক্যাল কমিটির সহসভাপতি মারিয়া এনরিকজ নেগ্রেইরাকে অনৈতিকভাবে অর্থ দিয়েছিল বার্সা। এ অর্থ ম্যাচের ফলাফলেও প্রভাব ফেলেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

যদিও বার্সেলোনা ও নেগ্রেইরার পক্ষ থেকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তাদের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে টাকার লেনদেন হয়েছিল পরামর্শক হিসেবে কাজের জন্য।

তবে যেহেতু দুর্নীতির অভিযোগ, বিষয়টিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে উয়েফা। এখন পর্যন্ত অভিযোগের সপক্ষে স্পষ্ট প্রমাণ পায়নি সংস্থাটি। তাতেই যে বার্সার রেহাই মিলে গেছে, বলার উপায় নেই।

যদি ভবিষ্যতে অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রমাণ মেলে, তবে উয়েফার ক্লাব প্রতিযোগিতায় বার্সার খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করা হতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com