মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
মতভেদের ঊর্ধ্বে উঠে যেন বসবাস করতে পারি : সালাহউদ্দিন রাতের আঁধারে  মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়কের শীতবস্ত্র বিতরণ শ্রীমঙ্গলে ফ্রীজ ও টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধন ঝিকরগাছায় শীতার্তদের মাঝে বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্টের কম্বল বিতরণে ইউএনও মোছাঃ রনী খাতুন নেত্রকোনায় ৬ পিকআপভর্তি ৩২ ভারতীয় গরু জব্দ, আটক চোরাকারবারি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চার মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতচাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনার খালিয়াজুরী বিএনপির সভাপতিসহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা পিএম ফারুক  বান্দরবানে অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ লামার ফাইতং

অবৈধভাবে পানি আটকিয়ে মাছ শিকার, হুমকিতে দেশীয় প্রজাতির মাছ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ধলাই, লাঘাটা ও পলক নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে পানির গতিরোধ করে মাছ শিকার করছে এক দল দুস্কৃতিকারী। ফলে মাছের নদিতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ও মাছের অবাধ বিচরণ এবং বংশবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকার স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুম আসলেই শুরু হয় মাছের রেনু ও মা-মাছ নিধনের অবৈধ কার্যক্রম। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে লোক দেখানো অভিযান করেন। এতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে দৃস্কৃতিকারিরা। জানা যায়, বোরো চাষের জন্য প্রায় তিম মাস মনু ব্যারেজ বন্ধ করে লাঘাটা নদীর পানি আটকানো হয়েছিল। দীর্ঘ সময় নদীতে পানি থাকার ফলে মাছসহ জলজ প্রাণীর ছিল অবাদ বিচরণ।

গত এক সপ্তাহ আগে মনু ব্যারেজ খুলে দেওয়ার কারণে নদীর পানি কমে যায়। এই সুযোগে স্থানীয় মৎস্য নিধনকারী বিভিন্ন চক্র লাঘাটা নদীতে অবৈধভাবে বাঁশের বেড়া ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে দিনরাত মৎস্য নিধন করে যাচ্ছে। ফলে দেশি মাছের প্রজনন, পানি প্রবাহ ও নদীর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া মৎস্য নিধনকারী চক্রের কারণে নদীতে থাকা দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন বিগ্ন ঘটছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ধলাই ও লাঘাটা নদীর নিম্নাঞ্চল এলাকায় কয়েকটি চক্র নদীতে বাঁশের বেড়া স্থাপন করে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দিয়ে মৎস্য শিকার করছে। লাঘাটা নদীর কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়ন এলাকায় কয়েকটি বাঁশের বেড়া এবং পলক নদীতেও একাধিক বাঁশের বেড়া বসানো হয়েছে। এসব বেড়ার ফলে মাছের অবাধ বিচরণ ও পানি প্রবাহে বাঁধাগ্রস্ত হয়ে খাঁচায় আটকে মাছ, ব্যঙ, সাপ, কুচিয়াসহ নানা প্রজাতির জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে।

পতনঊষারের শামসু মিয়া, আব্দুর রহমান, ফেরদৌস আহমেদ বলেন, কয়েক বছর আগেও পলক নদী, লাঘাটা নদী ও কেওলার হাওরে প্রচুর দেশীয় মাছ পাওয়া গেলেও এখন মাছের বিরানভূমি চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় তারা নদী সেচ, বাঁশের বেড়া ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল স্থাপন করে মাছ শিকার করলেও এদের বিরুদ্ধে সাময়িক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও স্থায়ী কোন সমাধান হচ্ছে না। তারা আরও বলেন, যদি মৎস্য শিকারীরা অবৈধ পন্থায় মাছ শিকার বন্ধ করতো তাহলে দেশীয় মাছের অভাব হতো না। এভাবে স্থানে স্থানে বাঁশের বেড়া নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল দেওয়ার কারণে মাছ উজানে উঠতে পারছে না।

কমলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, কয়েক দিন আগে লাঘাটা নদীতে অভিযান করে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছি। দুই-একদিনের মধ্যে আবারো অবৈধ বেড়া ও নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com