সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
জঙ্গল সলিমপুরে বন্দুকযুদ্ধ: সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তার মৃত্যু করদোবায় ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু হতাহত, রেল চলাচল বন্ধ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক শহীদ জিয়ার ৯০তম জন্মবার্ষিকী আজ  বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে উন্মোচিত হলো ১২০x জুমসহ অপো রেনো১৫ সিরিজ ফাইভজি দুদকের নজরে বেরোবির নিয়োগ প্রক্রিয়া, চলছে তদন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতাদের ওপর হামলা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ নেত্রকোনায় গণভোটের প্রচারণা গ্রাম ও জেলা শহরে, গণভোট কি জানেন না শ্রমিক-গ্রামের ভোটাররা চট্টগ্রাম ৮ আসনে হ্যাঁ/না ভোট নিয়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর মহাদেবপুর দেবীপুর-নীচপাড়া গ্রামে প্রভাব খাটিয়ে আঙ্গিনায় চুলা ভেঙ্গে বাড়ি দখল করলেন ইউপি মেম্বার

ভুরুঙ্গামারীতে শিলাবৃষ্টি – ফসলের ব‍্যাপক ক্ষতি

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ভুরুঙ্গামারীতে ব্যাপক শিলাবৃষ্টির কারণে অবশিষ্ট ফসলও তুলতে পারবেনা কৃষকেরা।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০ টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হওয়া শিলা-বৃষ্টি চলে পৌনে এগারোটা পর্যন্ত।

অসময়ে টানা দুই সপ্তাহের বৃষ্টিতে কৃষকের ধান ও গম এক প্রকার নিঃশেষের পথে। এরই মাঝে যতটুকু ধান এখনো অবশিষ্ট রযয়েছে জমিতে সেটুকু আর ঘরে তুলতে পারলোনা কৃষক। এর আগে টানা বর্ষণের কারণে গম পচে গিয়ে জমিতেই গাছ গজিয়েছিল। অনেক কৃষক সেগুলোকে আগুন লাগিয়ে খেতেই পুড়িয়ে সার বানাচ্ছে।

দীর্ঘ দিন বৃষ্টির কারনে কৃষক সোনালী আশ খ‍্যাত পাটেরবীজ বপন করতে পারছেনা।উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ তিলাই গ্রামের কৃষক আঃরহিম ও চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নের হুচারবালাগ্রামের সেকেন্দার আলী বলেন দীর্ঘ আশা নিয়ে ব্রি ধান আটাশ আবাদ করেছি। আগাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারনে ফসল নষ্ট হয়েছে।আমরা হতাশা গ্রস্থ।

উপজেলার জয়মনিহাটের খাসের ভিটার কৃষক হাফিজ উদ্দিন, নেকাত আলী ও ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ধান তো সব শেষ, পানির নিচে তলিয়ে গেছে খরের জন্য কিছু আশাবাদী ছিলাম।ঘন বৃষ্টির কারনে ধান ও খর পযর্ন্ত পচে গেছে। প্রতি বিঘায় ১৪ থেকে ১৫ মণ ধান হলেও পেয়েছি ৫-৬ মনের মত। অবশিষ্ট কিছু ছিল যা পাকার অপেক্ষায় ছিলাম কিন্তু তাও মনে হয় আর পেলাম না।

উপজেলার বাবুরহাটের ওয়াহেদ আলী জানান, গম কেটেছিলাম কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমিতেই পাকা গম থেকে বীজ বের হয়েছে সেগুলো জমিতেই পুড়িয়ে সার হিসেবে রেখেছি। অবশিষ্ট যেটুকু ধান জমিতে ছিল এই শিলা বৃষ্টির কারণে তাও পেলাম না, কি যে হবে এবার বুঝতে পারছি না।

একই উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের চড় ধাওড়ারকুটি গ্রামের মজিবর ও সাত্তার আলী জানান নদীর ধারে নিচু জমিতে আগাম কালিবোরো ধান লাগিয়ে ছিলাম। ধান পাকতে শুরু করেছে। হঠাৎ বৃষ্টির কারনে ধান তলিয়ে যায়।কয়েকদিন পরে জাগতে শুরু করে কিন্তু শনিবারের শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের কারনে সব সর্বনাশ হয়ে যায়।

ভুরুঙ্গামারী কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এতে প্রায় ৪০ হেক্টর জমির বোরো ধান, ২১ হেক্টর জমির পাট ও প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা সবজির ক্ষতি হয়েছে ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com