শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ধামইরহাটে ১৫৯ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মুখে হাসি ফোটালো ওয়ার্ল্ড ভিশন শ্রীমঙ্গলে চোরচক্রের দুই সদস্য আটক, মালামাল উদ্ধার ডিমলায় ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল নবম শ্রেণির ছাত্রীর ধামইরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক: বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

ভুরুঙ্গামারীতে শিলাবৃষ্টি – ফসলের ব‍্যাপক ক্ষতি

কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী উপজেলা ভুরুঙ্গামারীতে ব্যাপক শিলাবৃষ্টির কারণে অবশিষ্ট ফসলও তুলতে পারবেনা কৃষকেরা।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০ টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হওয়া শিলা-বৃষ্টি চলে পৌনে এগারোটা পর্যন্ত।

অসময়ে টানা দুই সপ্তাহের বৃষ্টিতে কৃষকের ধান ও গম এক প্রকার নিঃশেষের পথে। এরই মাঝে যতটুকু ধান এখনো অবশিষ্ট রযয়েছে জমিতে সেটুকু আর ঘরে তুলতে পারলোনা কৃষক। এর আগে টানা বর্ষণের কারণে গম পচে গিয়ে জমিতেই গাছ গজিয়েছিল। অনেক কৃষক সেগুলোকে আগুন লাগিয়ে খেতেই পুড়িয়ে সার বানাচ্ছে।

দীর্ঘ দিন বৃষ্টির কারনে কৃষক সোনালী আশ খ‍্যাত পাটেরবীজ বপন করতে পারছেনা।উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ তিলাই গ্রামের কৃষক আঃরহিম ও চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নের হুচারবালাগ্রামের সেকেন্দার আলী বলেন দীর্ঘ আশা নিয়ে ব্রি ধান আটাশ আবাদ করেছি। আগাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারনে ফসল নষ্ট হয়েছে।আমরা হতাশা গ্রস্থ।

উপজেলার জয়মনিহাটের খাসের ভিটার কৃষক হাফিজ উদ্দিন, নেকাত আলী ও ফয়েজ উদ্দিন বলেন, ধান তো সব শেষ, পানির নিচে তলিয়ে গেছে খরের জন্য কিছু আশাবাদী ছিলাম।ঘন বৃষ্টির কারনে ধান ও খর পযর্ন্ত পচে গেছে। প্রতি বিঘায় ১৪ থেকে ১৫ মণ ধান হলেও পেয়েছি ৫-৬ মনের মত। অবশিষ্ট কিছু ছিল যা পাকার অপেক্ষায় ছিলাম কিন্তু তাও মনে হয় আর পেলাম না।

উপজেলার বাবুরহাটের ওয়াহেদ আলী জানান, গম কেটেছিলাম কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জমিতেই পাকা গম থেকে বীজ বের হয়েছে সেগুলো জমিতেই পুড়িয়ে সার হিসেবে রেখেছি। অবশিষ্ট যেটুকু ধান জমিতে ছিল এই শিলা বৃষ্টির কারণে তাও পেলাম না, কি যে হবে এবার বুঝতে পারছি না।

একই উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের চড় ধাওড়ারকুটি গ্রামের মজিবর ও সাত্তার আলী জানান নদীর ধারে নিচু জমিতে আগাম কালিবোরো ধান লাগিয়ে ছিলাম। ধান পাকতে শুরু করেছে। হঠাৎ বৃষ্টির কারনে ধান তলিয়ে যায়।কয়েকদিন পরে জাগতে শুরু করে কিন্তু শনিবারের শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ের কারনে সব সর্বনাশ হয়ে যায়।

ভুরুঙ্গামারী কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এতে প্রায় ৪০ হেক্টর জমির বোরো ধান, ২১ হেক্টর জমির পাট ও প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা সবজির ক্ষতি হয়েছে ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com