মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
মতভেদের ঊর্ধ্বে উঠে যেন বসবাস করতে পারি : সালাহউদ্দিন রাতের আঁধারে  মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) অধিনায়কের শীতবস্ত্র বিতরণ শ্রীমঙ্গলে ফ্রীজ ও টিভি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধন ঝিকরগাছায় শীতার্তদের মাঝে বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্টের কম্বল বিতরণে ইউএনও মোছাঃ রনী খাতুন নেত্রকোনায় ৬ পিকআপভর্তি ৩২ ভারতীয় গরু জব্দ, আটক চোরাকারবারি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চার মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতচাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত নেত্রকোনার খালিয়াজুরী বিএনপির সভাপতিসহ ৫ নেতার বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা পিএম ফারুক  বান্দরবানে অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ লামার ফাইতং

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় নবীজির সুন্নতের প্রমাণ

বিজ্ঞানীরা জানান, জন্ম নেওয়া অপরিপক্ব ১০টি শিশুর মধ্যে একটির রক্তে শর্করা বিপজ্জনক মাত্রায় কম থাকে। যদি তাদের চিকিৎসা দেওয়া না হয়, তবে শিশুরা স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। নিউজিল্যান্ডের বিশেষজ্ঞরা ২৪২টি শিশুর ওপর এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। তারা বলেন, অপরিপক্ব শিশুদের জন্য এটিই প্রথম চিকিৎসা হওয়া উচিত। নব আবিষ্কৃত এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় ‘জেল থেরাপি’।

অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক জেই হার্ডিং বলেন, ডেক্সট্রোস জেল থেরাপিতে শিশুপ্রতি এক ডলারের মতো খরচ পড়বে। যাতে শিরায় গ্লুকোজ প্রবেশ করানোর চেয়ে কম খরচ পড়বে।

চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো সুন্নতের পক্ষে গবেষণা থাকুক বা না থাকুক, মহান আল্লাহ যেহেতু রাসুল (সা.)-এর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরার আদেশ করেছেন, তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত সুন্নতকে গুরুত্ব দেওয়া।

নবী করিম (সা.)-এর অন্যতম একটি সুন্নত হলো তাহনিক। আবু মুসা (রা.) বলেন, ‘আমার একটি পুত্রসন্তান জন্মালে আমি তাকে নিয়ে নবী (সা.)-এর কাছে গেলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহিম। তারপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিলেন এবং তার জন্য বরকতের দোয়া করে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সে ছিল আবু মুসার সবচেয়ে বড় ছেলে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৪৬৭)

আরেকটি হাদিসে আছে, আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে মক্কায় গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেন, গর্ভকাল পূর্ণ হওয়া অবস্থায় আমি বেরিয়ে মদিনায় এলাম এবং কুবায় অবতরণ করলাম। কুবাতেই আমি তাকে প্রসব করি। তারপর তাকে নিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে তাকে তার কোলে রাখলাম। তিনি একটি খেজুর আনতে বলেন। তা চিবিয়ে তিনি তার মুখে দিলেন। রাসুল (সা.)-এর এই লালাই সর্বপ্রথম তার পেটে প্রবেশ করেছিল। তারপর তিনি খেজুর চিবিয়ে তাহনিক করলেন এবং তার জন্য বরকতের দোয়া করলেন। (হিজরতের পর) ইসলামে জন্মলাভকারী সেই ছিল প্রথম সন্তান। তাই তার জন্য মুসলিমরা মহা আনন্দে আনন্দিত হয়েছিলেন। কারণ, তাদের বলা হতো ইহুদিরা তোমাদের জাদু করেছে, তাই তোমাদের সন্তান হয় না। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৬৯)

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে খেজুর দিয়ে তাহনিক করা সুন্নত। অর্থাৎ, খেজুর চিবিয়ে নবজাতকের মুখের তালুতে আলতোভাবে মালিশ করা এবং তার মুখ খুলে দেওয়া, যাতে তার পেটে এর কিছু অংশ প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, কিছু আলেম বলেছেন, খেজুর সম্ভব না হলে অন্য কোনো মিষ্টিদ্রব্য দিয়ে তাহনিক করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সবার কাছেই তাহনিক করা মুস্তাহাব। আমার জানামতে, এ ব্যাপারে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেননি। (শরহে মুহাজ্জাব : ৮/৪২৪)

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com