সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ বিল্লাল হোসেন।  আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট রাসেল । ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: কাজী মোস্তফা রুমি । যোগাযোগ : ০৩১-৭২৮০৮৫, ০১৮১১৫৮৮০৮০ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com জহুর উল্লাহ বিল্ডিং (৩য় তলা), পানওয়ালা পাড়া, চৌমুহনী, উত্তর আগ্রাবাদ ১২৭৭, চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
অ্যামাজনের নদীতে শতাধিক ডলফিন নিহত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৮৮২ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি শ্রীমঙ্গলে উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তার যৌথ বাজার মনিটরিং, ৩ প্রতিষ্টানকে জরিমানা রাউজানে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র শিবলী সাদিক হৃদয়’কে হত্যা মামলার ২ আসামী আটক মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র আরও ১৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাইকা এবার ভারতে দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিল আফগানিস্তান বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আবেদনের মতামত পাঠিয়ে দেয়া হবে আজ : আইনমন্ত্রী শ্রীমঙ্গলে বিশ্ব হার্ড দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যপী কর্মসূচী উদ্বোধন স্বচ্ছ ভারত দিবস পালন ডিএলএসএর উদ্যোগে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন এর কমিটি গঠন

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় নবীজির সুন্নতের প্রমাণ

বিজ্ঞানীরা জানান, জন্ম নেওয়া অপরিপক্ব ১০টি শিশুর মধ্যে একটির রক্তে শর্করা বিপজ্জনক মাত্রায় কম থাকে। যদি তাদের চিকিৎসা দেওয়া না হয়, তবে শিশুরা স্থায়ী ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। নিউজিল্যান্ডের বিশেষজ্ঞরা ২৪২টি শিশুর ওপর এই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। তারা বলেন, অপরিপক্ব শিশুদের জন্য এটিই প্রথম চিকিৎসা হওয়া উচিত। নব আবিষ্কৃত এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় ‘জেল থেরাপি’।

অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অধ্যাপক জেই হার্ডিং বলেন, ডেক্সট্রোস জেল থেরাপিতে শিশুপ্রতি এক ডলারের মতো খরচ পড়বে। যাতে শিরায় গ্লুকোজ প্রবেশ করানোর চেয়ে কম খরচ পড়বে।

চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেটে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে কোনো সুন্নতের পক্ষে গবেষণা থাকুক বা না থাকুক, মহান আল্লাহ যেহেতু রাসুল (সা.)-এর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরার আদেশ করেছেন, তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত সুন্নতকে গুরুত্ব দেওয়া।

নবী করিম (সা.)-এর অন্যতম একটি সুন্নত হলো তাহনিক। আবু মুসা (রা.) বলেন, ‘আমার একটি পুত্রসন্তান জন্মালে আমি তাকে নিয়ে নবী (সা.)-এর কাছে গেলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহিম। তারপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিলেন এবং তার জন্য বরকতের দোয়া করে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। সে ছিল আবু মুসার সবচেয়ে বড় ছেলে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৪৬৭)

আরেকটি হাদিসে আছে, আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে যুবায়েরকে মক্কায় গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেন, গর্ভকাল পূর্ণ হওয়া অবস্থায় আমি বেরিয়ে মদিনায় এলাম এবং কুবায় অবতরণ করলাম। কুবাতেই আমি তাকে প্রসব করি। তারপর তাকে নিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে তাকে তার কোলে রাখলাম। তিনি একটি খেজুর আনতে বলেন। তা চিবিয়ে তিনি তার মুখে দিলেন। রাসুল (সা.)-এর এই লালাই সর্বপ্রথম তার পেটে প্রবেশ করেছিল। তারপর তিনি খেজুর চিবিয়ে তাহনিক করলেন এবং তার জন্য বরকতের দোয়া করলেন। (হিজরতের পর) ইসলামে জন্মলাভকারী সেই ছিল প্রথম সন্তান। তাই তার জন্য মুসলিমরা মহা আনন্দে আনন্দিত হয়েছিলেন। কারণ, তাদের বলা হতো ইহুদিরা তোমাদের জাদু করেছে, তাই তোমাদের সন্তান হয় না। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৬৯)

ইমাম নববি (রহ.) বলেন, সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে খেজুর দিয়ে তাহনিক করা সুন্নত। অর্থাৎ, খেজুর চিবিয়ে নবজাতকের মুখের তালুতে আলতোভাবে মালিশ করা এবং তার মুখ খুলে দেওয়া, যাতে তার পেটে এর কিছু অংশ প্রবেশ করে।

তিনি বলেন, কিছু আলেম বলেছেন, খেজুর সম্ভব না হলে অন্য কোনো মিষ্টিদ্রব্য দিয়ে তাহনিক করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, সবার কাছেই তাহনিক করা মুস্তাহাব। আমার জানামতে, এ ব্যাপারে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করেননি। (শরহে মুহাজ্জাব : ৮/৪২৪)

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com