সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট ভূঞাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩ শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মহাদেবপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, আহত ১ শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শ্রীমঙ্গলে বই পড়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি হাজী মুজিব মহাদেবপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি

চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা

 

মো.সেলিম উদ্দিন খাঁন

অতিরিক্ত বন্দির চাপ কমাতে অপরাধের ধরন ও অঞ্চলভেদে চট্টগ্রাম কারাগারকে চারটি পৃথক অংশে বিভক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এই উদ্যোগের আওতায় মহানগর ও জেলার বন্দিদের আলাদা করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট অপরাধী ও রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক আবাসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তবে আইনজীবীরা বলছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রশাসনিক জটিলতা ও অতিরিক্ত ব্যয় সৃষ্টি হতে পারে। কারা সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৮৫০ জন ধারণক্ষমতার চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বর্তমানে ৬ হাজার ৯ জন বন্দি রয়েছেন। এর মধ্যে মহানগরের ১৬টি থানার মামলার প্রায় ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার আসামি এবং জেলার বিভিন্ন থানার মামলার আরও প্রায় দেড় হাজার আসামি রয়েছেন। অতিরিক্ত বন্দির চাপে কারা প্রশাসনকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিয়া বলেন, কারাগারটি ধারণক্ষমতার তুলনায় অত্যন্ত বেশি বন্দি বহন করছে। জায়গার সংকটের কারণে এটি সম্প্রসারণ করাও কঠিন। এমন অবস্থায় কোনো সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে মাদক আইনের প্রায় আড়াই হাজার আসামি, জলদস্যু আইনের ৬০০-এর বেশি আসামি, বিভাগীয় ট্রাইব্যুনালের আসামি, প্রায় সাড়ে তিনশ রোহিঙ্গা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্য বন্দি রয়েছেন। এসব কারণে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিদের আলাদা রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি (প্রিজন) মো. ছগির মিয়া জানান, মাদক মামলার বন্দিদের জন্য পৃথক জোন, কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা এবং মহানগরের বন্দিদের অন্যত্র স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। পুরোনো কারাগারে শুধু জেলার বন্দিদের রাখা হতে পারে। এছাড়া মহানগরের বন্দিদের জন্য জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় নতুন কারাগার নির্মাণের বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

তবে আইনজীবীরা এ পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বলেন, একজন আসামির বিরুদ্ধে একাধিক ধরনের মামলা থাকলে তাকে কোন কারাগারে রাখা হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এতে মামলার নথিপত্র পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়বে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com