শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
রাজশাহীতে টাইলসের নিচে মাদকের গুদাম, ১১ লাখ টাকাসহ আটক ২ শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার, বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর চট্টগ্রামে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে ৩ জন গ্রেপ্তার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার রাজশাহী জনসভাতে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেন:সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে নোটিশ ছাড়াই পদচ্যুতির অভিযোগ ইসমাইলের, ব্যক্তিগত আক্রোশের দাবি তৃণমূলের রাজশাহীতে ১৭৭ পূজামণ্ডপে ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা অনুদান দিল জেলা পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর ঘিরে মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু টিকটক-ফেসবুকে ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার ও ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ, হালিশহর থানায় জিডি ডবলমুরিং থানা থেকে লুট হওয়া পিস্তল উদ্ধার, মিলেছে ৮ রাউন্ড গুলি নওগাঁর পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই আন্তজেলা ডাকাত গ্রেপ্তার

নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট

আহমদ প্রাইভেট হাসপাতালের মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা, ১৫ দিনের মধ্যে বালু সরানোর নির্দেশ

মোঃ রেজাউল হক রহমত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু দিয়ে ভরাটের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নদীর তীর ভরাটের অপরাধে আহমদ প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ ফরিদ মিয়াকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ভরাট করা বালু আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জানা গেছে, তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বালু ফেলে নদীর পাড় ভরাটের কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রাকিবুল ইসলাম।

অভিযানকালে নদীর পাড় অবৈধভাবে ভরাটের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আহমদ প্রাইভেট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ ফরিদ মিয়াকে নগদ ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভরাট করা বালু সরিয়ে নদীর তীরকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন উঠেছে—নদীর পাড় ভরাটের সাহস আসে কোথা থেকে?

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী ও নদীর তীরবর্তী সরকারি জায়গা দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ কিংবা বালু দিয়ে ভরাটের প্রবণতা নতুন নয়। তিতাসের তীর ঘেঁষে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে থাকলে একদিকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে, অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন ও নদীর পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে—একদিনের অভিযান ও জরিমানা দিয়েই কি নদীর তীর দখল-ভরাটের প্রবণতা বন্ধ করা সম্ভব? নাকি এর পেছনে থাকা দখল, ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণের পুরো প্রক্রিয়াটি খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

নদীর জায়গা বালু দিয়ে ভরাট করে পরে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ কিংবা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা হলে তা শুধু পরিবেশের জন্য হুমকি নয়, ভবিষ্যতে নদীর সীমানা সংকুচিত হওয়ারও কারণ হতে পারে। তাই স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় কোথায় কতটুকু জায়গা ভরাট হয়েছে, কার মালিকানায় বা দখলে রয়েছে এবং ভরাটের অনুমতি আদৌ ছিল কি না—এসব বিষয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিস্তারিতভাবে তদন্ত করা হোক।

১৫ দিনের নির্দেশ—এরপর কী?

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে ও নিজ খরচে ভরাট করা বালু অপসারণ করতে হবে। এখন স্থানীয়দের দৃষ্টি প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু অপসারণ করা হয়েছে কি না, তা সরেজমিনে পরিদর্শন করে নিশ্চিত করা এবং নির্দেশ অমান্য হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তিতাস নদী শুধু একটি জলধারা নয়; নবীনগরের পরিবেশ, কৃষি, নৌপথ ও জনজীবনের সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নদীর পাড় রক্ষায় প্রশাসনের এই অভিযানকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। তবে তাদের প্রত্যাশা—অভিযান যেন শুধু জরিমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে; নদীর তীর দখল ও ভরাটের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নদী ও নদীর তীরের জায়গা অবৈধভাবে দখল ও ভরাটের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাইলে এটিকে আমি আরও “চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী রিপোর্ট” স্টাইলে লিখে দিতে পারি—যেখানে থাকবে “কার ইশারায় নদীর পাড় ভরাট?”, স্থানীয়দের বক্তব্য, প্রশাসনের আগের অভিযান ও সম্ভাব্য দখলচক্র নিয়ে আরও ধারালো অনুসন্ধানী উপস্থাপন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com