মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ৬২ পিস ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুন, ১৭ বাংলাদেশি নিহতের খবর; ১৩ জন নওগাঁর মৌলভীবাজার চোলাই মদ ও ইয়াবাসহ আটক ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ বোতল এসকাফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ৩ নওগাঁয় এলজিইডি কার্যসহকারীকে জিম্মি করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা 

ফেসবুকে ‘আপত্তিকর’ কবিতা, চাকরি হারালেন সিনিয়র সহকারী সচিব

‘রহমান হেনরী’ ছদ্মনামে ফেসবুকে সরকারপ্রধানকে ইঙ্গিত করে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কবিতা লেখার অপরাধে চাকরি হারিয়েছেন মো. সাইদুর রহমান নামের এক সিনিয়র সহকারী সচিব। তিনি জাতীয় নদী রক্ষা উপপরিচালক ছিলেন। গত ১৩ জুন তাঁকে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাইদুর রহমান ২০২০ সালের ৮ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে তাঁর ফেসবুক আইডি ‘রহমান হেনরী’ থেকে ‘রহমান হেনরী’ ছদ্মনামে একটি কুরুচিপূর্ণ, অশোভন ও আপত্তিকর কবিতা প্রকাশ করেন, যা একদিকে একজন সরকারি কর্মচারীর পক্ষে অশোভন ও অকর্মকর্তাসুলভ আচরণ।

এতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরে তাঁকে কৈফিয়ত তলব করা হয় এবং তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। তাঁর লিখিত জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানির বক্তব্য সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় তদন্ত করতে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা মতামত দেন, অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি তাঁকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।

দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে বলা হয়, নোটিশের জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি এবং একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও সরকার প্রধানকে ইঙ্গিত করে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কবিতা প্রকাশ করেছেন, তা তদন্তে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com