রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
রাঙ্গুনিয়ায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীমঙ্গলে চায়ের স্বাদ নির্ণয় ও মান নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ১০, মাদক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ১০টিই বর্তমানে জ্বালানি-সংকটে বন্ধ  আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় উদ্যোক্তা গড়তে চট্টগ্রামে আসছে ‘ডিএনএ হ্যাক ফর হেলথ’ চকরিয়া মালুমঘাট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পিকআপের যাত্রী নিহত মৌলভীবাজার জেলা এডাবের ত্রৈমাসিক সভা শ্রীমঙ্গলে বিক্রিত জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে গোপনে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ যশোরের ঝিকরগাছায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ব্যাবসায়ী আটক

চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ১০টিই বর্তমানে জ্বালানি-সংকটে বন্ধ

 

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন

চট্টগ্রামে গ্রীষ্মের শুরুতেই বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় নগরজুড়ে লোডশেডিং তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম সিস্টেম কন্ট্রোল (স্কাডা) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ২০০ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট। ফলে দিনের শুরুতেই প্রায় ৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়।

সন্ধ্যায় চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বাড়লেও উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ জাতীয় গ্রিডে চলে যাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে লোডশেডিং অব্যাহত থাকে। জ্বালানি সংকটে বর্তমানে চট্টগ্রামের ১০টি বড় কেন্দ্র থেকে কোনো বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রাউজান ১ ও ২; ২১০ মেগাওয়াট করে মোট ৪২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি ইউনিটই বন্ধ। মাতারবাড়ি কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট; সকালে উৎপাদন হলেও সন্ধ্যায় তা শূন্যে নেমে আসে।

জুলধা ২ ও ৩; প্রতিটি ১০০ মেগাওয়াট করে ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতা অলস পড়ে আছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র; ৫টি ইউনিটের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র ২টি। এছাড়া এনলিমা, জুডিয়াক এবং কক্সবাজার উইন্ড প্ল্যান্টও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।বর্তমানে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট (৬১২ মেগাওয়াট) এবং শিকলবাহা (২১৮ মেগাওয়াট) কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

চকবাজার, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, হালিশহর ও বাকলিয়াসহ নগরের প্রায় সব এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে তা ফিরতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগছে। লোডশেডিংয়ের প্রভাবে ওয়াসা পর্যাপ্ত পানি পাম্প করতে না পারায় অনেক এলাকায় পানির হাহাকার শুরু হয়েছে।
কল্পলোক এলাকার বাসিন্দা নুরুল আলম বলেন, “ভ্যাপসা গরমে শিশুদের নিয়ে ঘরে থাকা দায় হয়ে পড়েছে।

একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অন্যদিকে পাম্প না চলায় পানির অভাবে দৈনন্দিন কাজ স্থবির হয়ে গেছে।” পিডিবির চট্টগ্রাম স্কাডা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান জানান, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে কয়েকটি কেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়েছে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে। সামনে গরম আরও বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে। জ্বালানি সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে চট্টগ্রামের পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com