বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১৫৭টি মোবাইল- ল্যাপটপ নিয়ে পার্টি সোহেলসহ গ্রেপ্তার ৫

গণপূর্তে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অভিযোগ: টেন্ডার, পদোন্নতি ও প্রকল্প বাণিজ্যে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে তোলপাড়

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণপূর্ত অধিদপ্তর-কে ঘিরে আবারও অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম) আশরাফুল হক এবং ঠিকাদার মো. সাইদুল ইসলাম। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, এই দুজনকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ, পদোন্নতিতে প্রভাব এবং বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, গণপূর্তের ইএম বিভাগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত প্রতিযোগিতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং যোগ্য অনেক প্রতিষ্ঠান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, ঠিকাদার সাইদুল ইসলাম গত কয়েক বছরে দ্রুত ব্যবসায়িক বিস্তার ঘটিয়েছেন। বিভিন্ন বড় প্রকল্পে তার অংশগ্রহণ এবং অভিজ্ঞতা সনদসহ অন্যান্য নথি ব্যবহার করে কাজ পাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শুধু টেন্ডার নয়, পদোন্নতি প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সুপারিনটেনডিং ইঞ্জিনিয়ারসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে যোগ্যতা, বিভাগীয় পরীক্ষা ও জ্যেষ্ঠতার পরিবর্তে প্রভাব ও আর্থিক লেনদেন ভূমিকা রাখছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে এখনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

অভ্যন্তরীণ কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কিছু টেন্ডারে এমন বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হচ্ছে, যা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার পথ তৈরি করছে। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি নিয়োগ, পদোন্নতি কিংবা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম প্রমাণিত হলে তা গুরুতর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে প্রশাসনিক মহলে বিষয়টি নিয়ে চাপা আলোচনা চললেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত কমিটি গঠনের তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে কী ঘটছে—তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com