শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম রাঙ্গুনিয়ায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীমঙ্গলে চায়ের স্বাদ নির্ণয় ও মান নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ১০, মাদক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ১০টিই বর্তমানে জ্বালানি-সংকটে বন্ধ

নবীনগরে আইনশৃঙ্খলার প্রকাশ্য পতন মেইন রোডের পাশে মুখোশধারী ডাকাতদের ফিল্মি তাণ্ডব—১৩ অটোরিকশার ব্যাটারি লুট

 

মোঃ রেজাউল হক রহমত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

নবীনগরে এখন আর অপরাধ লুকিয়ে নয়—প্রকাশ্য, পরিকল্পিত ও ফিল্মি কায়দায় সংঘটিত হচ্ছে। মুখোশধারী ডাকাতদল মেইন রোডের পাশেই গ্যারেজে ঢুকে মানুষ বেঁধে রেখে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৩টি অটোরিকশার ব্যাটারি লুট করে নিয়ে যায়, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা বলে আদৌ কিছু আছে কি?

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে নবীনগর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভোলাচং–নবীপুর সড়কে সংঘটিত এই ঘটনা শুধু একটি ডাকাতি নয়, বরং প্রশাসনের ব্যর্থতার নগ্ন দলিল। নবীনগর–কোম্পানীগঞ্জ সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ মেইন রোডের পাশে এমন দুঃসাহসিক ডাকাতি প্রমাণ করে, অপরাধীরা এখন আইনকে ভয় পায় না।

গ্যারেজের ভেতরে থাকা ব্যক্তিকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে অস্ত্র তাক করে ডাকাতি চালানো হয়—এ যেন কোনো সিনেমার দৃশ্য, বাস্তবের নবীনগর নয়। লুট করা ব্যাটারিগুলো পিকআপ ভ্যানে তুলে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। ৯৯৯-এ ফোন করার পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তারা নিরাপদে সরে পড়ে—এটাই এখন নবীনগরের বাস্তবতা।

গ্যারেজ মালিক ও ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মকুল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“মেইন রোডের পাশে যদি এভাবে ডাকাতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পাবে কোথায়? আমরা কি তবে জিম্মি হয়ে বাঁচব?”

এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের স্পষ্ট অভিযোগ—রাতের টহল নেই, গোয়েন্দা নজরদারি নেই, অপরাধীদের দৌরাত্ম্যের লাগাম ধরার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। ফলে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

পুলিশ বলছে, “তদন্ত চলছে।” কিন্তু জনমনের প্রশ্ন—তদন্তের নামে কতদিন এভাবে অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে? আগেও কি এমন ঘটনায় তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে?

নবীনগরের মানুষ আর আশ্বাস নয়, ফলাফল চায়। দ্রুত ডাকাতচক্রকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত না হলে আইনশৃঙ্খলার এই অবনতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

নবীনগর কি তবে অপরাধীদের নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে?

এই প্রশ্নের জবাব এখন প্রশাসনের কাছেই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com