মঙ্গলবার, ০৯ Jun ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা হেলাল উদ্দিন আটক রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় রায়:পর্যবেক্ষণে যা বললেন বিচারক কক্সবাজারে ঘুষে চলছে শতাধিক অবৈধ ভাটা, সংরক্ষিত বনে ৩১ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বাসা থেকে চুরি ওয়া মালামাল উদ্ধার, কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন ধরেনি পুলিশ চুনতি ১৯দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.)’র ৫৬ তম মাহফিলে’র প্রস্তুতি সভা: বাজেট সাড়ে পাঁচ কোটি চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা বিরূপ আবহাওয়ার কারণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অপূর্ণ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম

নবীনগরে আইনশৃঙ্খলার প্রকাশ্য পতন মেইন রোডের পাশে মুখোশধারী ডাকাতদের ফিল্মি তাণ্ডব—১৩ অটোরিকশার ব্যাটারি লুট

 

মোঃ রেজাউল হক রহমত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

নবীনগরে এখন আর অপরাধ লুকিয়ে নয়—প্রকাশ্য, পরিকল্পিত ও ফিল্মি কায়দায় সংঘটিত হচ্ছে। মুখোশধারী ডাকাতদল মেইন রোডের পাশেই গ্যারেজে ঢুকে মানুষ বেঁধে রেখে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৩টি অটোরিকশার ব্যাটারি লুট করে নিয়ে যায়, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা বলে আদৌ কিছু আছে কি?

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে নবীনগর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ভোলাচং–নবীপুর সড়কে সংঘটিত এই ঘটনা শুধু একটি ডাকাতি নয়, বরং প্রশাসনের ব্যর্থতার নগ্ন দলিল। নবীনগর–কোম্পানীগঞ্জ সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ মেইন রোডের পাশে এমন দুঃসাহসিক ডাকাতি প্রমাণ করে, অপরাধীরা এখন আইনকে ভয় পায় না।

গ্যারেজের ভেতরে থাকা ব্যক্তিকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে অস্ত্র তাক করে ডাকাতি চালানো হয়—এ যেন কোনো সিনেমার দৃশ্য, বাস্তবের নবীনগর নয়। লুট করা ব্যাটারিগুলো পিকআপ ভ্যানে তুলে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায় ডাকাতদল। ৯৯৯-এ ফোন করার পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তারা নিরাপদে সরে পড়ে—এটাই এখন নবীনগরের বাস্তবতা।

গ্যারেজ মালিক ও ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মকুল মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“মেইন রোডের পাশে যদি এভাবে ডাকাতি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা পাবে কোথায়? আমরা কি তবে জিম্মি হয়ে বাঁচব?”

এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের স্পষ্ট অভিযোগ—রাতের টহল নেই, গোয়েন্দা নজরদারি নেই, অপরাধীদের দৌরাত্ম্যের লাগাম ধরার কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। ফলে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

পুলিশ বলছে, “তদন্ত চলছে।” কিন্তু জনমনের প্রশ্ন—তদন্তের নামে কতদিন এভাবে অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে? আগেও কি এমন ঘটনায় তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে?

নবীনগরের মানুষ আর আশ্বাস নয়, ফলাফল চায়। দ্রুত ডাকাতচক্রকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি নিশ্চিত না হলে আইনশৃঙ্খলার এই অবনতির দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।

নবীনগর কি তবে অপরাধীদের নিরাপদ স্বর্গরাজ্যে পরিণত হচ্ছে?

এই প্রশ্নের জবাব এখন প্রশাসনের কাছেই।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com