বুধবার, ২৪ Jun ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
খুলশীতে অবৈধ জুয়ার আসরের অভিযোগ, অসাধু কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার গুঞ্জন চান্দগাঁও থানা জামায়াতের নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে মুহাম্মদ উল্লাহ টেকনাফে দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা দিল কোস্ট গার্ড চট্টগ্রামে আ.লীগের নাশকতা প্রতিরোধে এনসিপির মিছিল নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার মহাসড়কে বেপরোয়া দুই বাসের সংঘর্ষে শিক্ষার্থীর মৃত্যু পুলিশের বিশেষ ফোর্স মোবিলাইজেশন ড্রিল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে রূপগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ নবীনগরে গভীর রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অধিক মুনাফার আশায় শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগ, পচে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

কক্সবাজার-স্টেডিয়ামে তাণ্ডবের ঘটনায় দুই মামলা আসামি এক হাজার

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন

কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে তাণ্ডবের ঘটনায় এবার দুইটি মামলা হয়েছে। যার একটি বাদি কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন এবং অপরটির বাদি কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই রাজীব পাল। গত রবিবার দুপুরে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এই মামলা দুইটি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মো. ফারুক হোসেন। তিনি জানান, স্টেডিয়ামে ভাংচুর, আগুন দেয়া সহ তাণ্ডব চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ক্রীড়ার সংস্থার পক্ষে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বাদি হয়ে দায়ের করা মামলার এজাহারে দুই জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত দেখানো হয়েছে ৭০০ জনকে। নাম উল্লেখ করে আসামিরা হলেন, টিকেটেরর ইজারাদার ইব্র্রাহিম বাবু ও মুন্না। পুলিশের উপর হামলা ও সরকারি কাজে বাঁধা প্রদানের ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় আসামি অজ্ঞাত এবং সংখ্যা উল্লেখ নেই।কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলার ছিল শুক্রবার। রামু ও টেকনাফ উপজেলা একাদশের মধ্যে বেলা ৩ টায় ফাইনাল ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল ৭ টা থেকে স্টেডিয়ামে গিয়ে টিকেট সংগ্রহ শুরু করেছে দর্শকরা। এই টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও দর্শকের উপস্থিত দেখে ক্রমাগত বাড়তে থাকে। দুপুরে ২ টা পর্যন্ত আয়োজক কমিটির অতিরিক্ত মূল্যে ধারণ ক্ষমতার ৬ গুণ টিকেট বিক্রি করে দেয়। এতে অসংখ্য দর্শক টিকেট কেটে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে না পারায় উত্তেজিত হয়ে উঠে। অতিরিক্ত দর্শক গ্যালোরিতে বসার স্থান না পেয়ে গেইট ভেঙে আড়াই টার দিকে দর্শক পুরো মাঠ দখল করে নেন। এতে কারণে মাঠে খেলা পরিচালনার সুযোগ না হওয়ায় আয়োজক সহ পুলিশ ও র্যাব সহ সেনা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। কিন্তু দফায় দফায় চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে স্টেডিয়ামে প্রবেশে ব্যর্থ দর্শকরা স্টেডিয়ামের বাইর থেকে ভবনে ভাংচুর শুরু করে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। এর মধ্যে বিকাল ৫ টা ১৫ মিনিটের দেখা মাঠ থাকা দর্শকদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লাঠি চার্জ করে বের করে দিতে সক্ষম হয়। এর পর মাঠে খেলা পরিচালনার প্রস্তুতি নিলেও গ্যালোরিতে দর্শক ও বাইরের দর্শকরা এক যোগে হামলা করে গ্যালোরি, মাঠ, প্রেস বক্স সহ সব কিছু ভাংচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে।এতে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন, পুলিশের ৩ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে।এর প্রেক্ষিতে ফাইনাল খেলা স্থগিত ঘোষণা করে আয়োজক কমিটি।শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম’ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন শাহীন সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন ভাংচুরের পাশাপাশি যে তান্ডব চালিয়েছে তা তদন্তে প্রশাসন দুইটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com