শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলে বিক্রিত জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে গোপনে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ যশোরের ঝিকরগাছায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ব্যাবসায়ী আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপর ‘তিন মাসে ‌‌১৩৩ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’, উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের শ্রীমঙ্গলে সাড়ে ৮ হাজার লিটার ভোজ্য তেল মজুদ, এক প্রতিষ্টানকে অর্থদন্ড শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান বড়লেখায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিমলায় নবম শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের ৪৮ ঘন্টা না পেরুতেই ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ “অভাব নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারণ”—চ্যাম্পিয়ন ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মৌলভীবাজারে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নেত্রকোনায় শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি, এক শিশুর মৃত্যু

শ্রীমঙ্গলে অল্প বৃষ্টিতে রাস্তাঘাটে ও ব্যবসা প্রতিষ্টানে পানি উঠে দূর্ভোগ

মৌলভীবাজারের অল্প বৃষ্টিতেই পৌর এলাকার রাস্তাঘাট,বাসা-বাড়িতে পানি উঠে তলিয়ে যায়। বিশেষ করে শহরের চৌমুহনী ও হবিগঞ্জ সড়ক, সাগরদিঘি সড়ক, ষ্টেশন রোড, উকিলবাড়ি সড়ক ও ভানুগাছ রোডসহ বেশ কয়েকটি সড়কের ড্রেন ডুবে গিয়ে রাস্তার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয় পানি। এতে দোকানপাঠে পানি উঠে ক্ষতির সম্মূখিন হন আনেক ব্যবসায়ী। দূর্ভোগে পড়েন জনগন।
এ ব্যপারে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল কাজী আব্দুল করিম জানান, বেশি বৃষ্টি হয়েছে তাই পানি উঠেছে। তবে ভানুগাছ সড়কে ড্রেন নির্মানের সময় ড্রেনে বাধঁদেওয়া হয়েছিলো। ভুলবসত বাধঁ অপসারণ করা হয়নি। তাই পানি জমাট সৃষ্টি হয়। এখন বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। পৌরসভার -৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মীর এম এ সালাম জানান, ড্রেনের ভিতর প্লাস্টিক, বোতল এবং ফলের দোকানের ময়লায় ভরে গিয়েছিলো। তাই পানি কাটতে সময় লেগেছে। তাছাড়া হবিগঞ্জ সড়কের কদরআলী টাওয়ারের সামনে তাদের নিজস্ব একটি ¯েøপ ভেঙ্গে ড্রেনের পানি চলাচলের পথ বন্ধ ছিলো। শনিবার এটি অপসারণ করা হয়েছে।
এদিকে সরজমিনে দেখা যায়, ময়লায় পরিপূর্ণ ড্রেন গুলো। যার বেশিরভাগই শহরের ফলের দোকানের বর্জ। যে কারনে পানি উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠে। কম্পিউটার থেকে শুরু করে অনেক মুল্যবান জিনিশপত্র নষ্ট হয় ব্যবসায়ীদের। চা ব্যবসায়ী নিরেশ দাশ বলেন, তার দোকানে দুই আড়াইফুট পানি উঠেছে। অনেক কিছু ভিজে নষ্ট হয়েগেছে। ওই দিনের জন্য তার ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
এ ব্যপারে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র মহসীন মিয়া মধু বলেন, শহরের সৌন্দর্যের জন্য অনেক উঁচু করে ড্রেন নির্মান করে উপরে টাইল্স করা ফুটপাত করে দিয়েছি। কিন্তু মানুষ সেই ড্রেনেই ময়লা ফেলেন। টাকা খরচ করে সেই ময়লা আবার উঠাতে হয়। এতে জনগণের টাকাই নষ্ট হচ্ছে। কারণ পৌরসভার সম্পদ জনগণের। তিনি বলেন, সবাই সহযোগীতা না করলে শহর সুন্দর রাখা সম্ভব নয়। তাছাড়া মৌলভীবাজার সড়কে ১নংপুলের পাশে পাহাড়ী ছড়াটি ভরে গেছে। যে কারনে পানি কম কাটে। এটি খনন বা দখল মুক্ত করা অধিকার তাদের নেই। এটি উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রনে।
এদিকে শহরের হবিগঞ্জ সড়কের পানি দ্রæত নিস্কাসনের বিষয়ে শহরবাসীরা অভিমত প্রকাশ করেন সড়কের উত্তর পাশের ড্রেনের মতো দক্ষিন পাশের ডেন আরো উঁচু করতে হবে এবং শহরের ফল ব্যবসায়ীদের শর্তক করতে হবে। তারা বলেন, শুক্রবার বৃষ্টির পর পর পৌরসভার লোক যদি ওই ড্রেনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়িয়ে দিতেন তাহলে মানুষের ভুগান্তি আরো কম হতো।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৭ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন প্রকল্প জমা দেয়া আছে। পুরো কাজ হয়ে গেলে এ সমস্যা আর থাকবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com