শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চন্দনাইশে কাভার্ড ভ্যান-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩ চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৪৩, জব্দ পৌনে ২ লাখ ইয়াবা ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ অমান্য, চট্টগ্রামের ডিসিকে আদালতের নোটিশ নওগাঁর সেফটি ট্যাংকে মিতুর লাশের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন লোহাগাড়ায় জামাল উদ্দিনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কার লুট মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ও প্রশমন দিবস পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: আশার আলো নাকি নতুন প্রশ্ন? শ্রীবরদীতে পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা সহ পিকআপ ভ্যান আটক শেরপুরের সীমান্তে বিজিবির রাতভর অভিযানে ২৩ লাখ টাকার ভারতীয় মদ ও পিকআপসহ আটক- ১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাপড়ের দোকানে অনিয়ম: দুই প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা

নওগাঁর সেফটি ট্যাংকে মিতুর লাশের চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ

নওগাঁয় মিতু বানু নামের এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে লাশ গুম করার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে দীর্ঘ দেড় মাস পর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত চার ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে মিতু বানুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জানা যায়, মাত্র ১২ হাজার টাকার বিনিময়ে মিতুকে নওগাঁ শহর থেকে ওই গ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল। সেখানে অসামাজিক কাজে বাধা দেওয়া এবং টাকার ভাগবাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে আসামিরা মিতুকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে রেন্টুর পরামর্শে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে লাশটি সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় তারা।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “এটি একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড ছিল। তবে আমাদের তদন্ত দল তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই (AI) ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সামিদুল ইতোমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।”

পুলিশ আরও জানায়, মিতুকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে লাশ গুম করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে এই চারজন সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। দেড় মাস ধরে তারা আত্মগোপনে থাকলেও শেষ রক্ষা হয়নি। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
নওগাঁ #

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com