সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম রাঙ্গুনিয়ায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীমঙ্গলে চায়ের স্বাদ নির্ণয় ও মান নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ১০, মাদক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার

নেত্রকোনায় প্রতিদিন বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :
প্রতিনিয়ত যানজট ও একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় নেত্রকোনা মহাসড়ক ও গ্রামীণ সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। আর প্রতিনিয়ত গ্রামীণ অভ্যন্তরীণ ছোট সড়ক ও সাইডলেনে ইজিবাইক ও অটোরিকশা দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাত-পা ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য যাত্রী।
এ জন্য ইজিবাইক ও অটোরিকশাকে দায়ী করা হলেও বাস্তবে সড়ক আইন না মানাই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বলে চিহ্নিত হয়েছে সর্বত্র। এটা স্পষ্ট যে,শুধু ইজিবাইক ও অটোরিকশাই নয়, ট্রাফিক পুলিশের অবহেলা ও সংকটের কারণেও নেত্রকোনায় সড়ক মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট বাড়ছে বলে দাবি সাধারণ মানুষ ও চিন্তাবিদদের।
আর ট্রাফিক বিভাগে পর্যাপ্ত লোকবলের অভাব বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র অনুসন্ধান ও সরেজমিনে রবিবার (১১ জানুয়ারি)নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, অনেক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেই কোনো ট্রাফিক পুলিশ বা কনস্টেবল নেই। এমনকি রেলক্রসিং এলাকার রাস্তায় ও ট্রাফিক পুলিশের জন্য হাহাকার করছে।
২১.২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের নেত্রকোনা পৌরসভার আওতায় প্রায় ১১৮.৭৯ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে। আর এই সড়কের মধ্যে তিন রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই মোড়গুলো বিপদজনক হওয়া সত্ত্বেও শুধু মাত্র শহীদ মিনার, আখড়ার মোড়, তেরী বাজার মোড়, চক মসজিদ মোড়, থানার মোড়, রাজুর বাজার মোড়, মোক্তারপাড়া ব্রিজ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ ও সার্জেন্ট রয়েছেন।
অন্য কোথাও কোনো সার্জেন্ট তো দূরের কথা কোনো কনস্টেবলও নেই। তবে মদন বাস টার্মিনাল, ইসলামপুর সিএনজি স্টেশনে ট্রাফিক থাকলে ভালো হতো। এদিকে, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শহীদ মিনার এলাকায় স্কুল ও অফিসগামী মানুষের ভিড় জমে যায়।
এখানে দুইটি তিন রাস্তা মোড় পাশাপাশি হওয়ায় পথচারী ও ছোট যানবাহনের জন্য মহাবিপদজনক হয়ে উঠেছে। প্রায় সময় এখানে বাসচাপা হতে বেঁচে যায় সাধারণ মানুষ। শহীদ মিনারের পাশে সকাল বেলায় মেইন রোড বন্ধ করে পাইকারি বাজার বসায় চলাচলের সমস্যা হয়।
বিশেষ করে পৌরসভার যেসব মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ নেই, এসব স্থানে সার্বক্ষণিক ট্রাফিক পুলিশ থাকা জরুরি বলে মনে করেন নেত্রকোনার সচেতন নাগরিক সমাজ। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রতিটি পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ থাকা জরুরি বলে জানান পৌরসভার বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম।
নেত্রকোনা পৌরসভার প্রতিটি মোড়ে একজন করে সার্জেন্ট থাকা জরুরী বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ, তারা বলেন,মোড়ে মোড়ে শুধু কনস্টেবল রেখে লাভ নেই। কারণ সেতো মামলা দিতে পারেন না। এদিকে, পৌরসভায় ইজিবাইক ও অটোরিকশা যে হারে বাড়ছে তাও বিপদজনক। বহিরাগত গাড়ির চাপও ক্রমশ বেড়েই চলছে। অন্যদিকে পৌরসভায় যানজট ও দুর্ঘটনা এড়াতে পৌর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা আগে প্রয়োজন বলে জানান নেত্রকোনার সচেতন নাগরিক সমাজ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com