শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াতের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত চীনে এআই চালিত রোবট উন্মোচন, গৃহস্থালির কাজেও দক্ষ বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ কোনটি, বাংলাদেশ কোন অবস্থানে? রূপগঞ্জে মার্কেটে আগুনে ১৯ দোকান পুড়ে ছাই হামজাকে নিয়েই ভারত ম্যাচের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ঈশ্বরদীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ খিলগাঁওয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার সাংবাদিকদের কাজ সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা: কাদের গনি চৌধুরী আড়াইহাজারে এক রাতে ৩ ডাকাতি

জানুয়ারিতে এলো দুই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

ডেস্ক নিউজঃ

প্রবাসী আয় নিয়ে সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক, ২০২৩ সালের জুনের পর প্রথমবারের মতো এ বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রবাসীরা জানুয়ারিতে ২.০১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ১৯৯ কোটি এবং গত বছরের জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, বৈধপথে রেমিট্যান্স আনার উদ্যোগের ফলে এমনটি হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রণোদনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের উৎসাহিত করছে। তারা আশা করেন, ভবিষ্যতে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে আরও রেমিট্যান্স আসবে কারণ অনেক প্রবাসী এখন হুন্ডি নেটওয়ার্ক এড়িয়ে চলছে।

রেমিট্যান্স কেনার ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ টাকা পর্যন্ত দরে রেমিট্যান্স কেনা যাচ্ছে। এ কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে।

একক মাস হিসেবে জানুয়ারিতে আসা রেমিট্যান্স গত সাত মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।২০২৩ সালে রেকর্ড ১৩ লাখের বেশি শ্রমিক দেশের বাইরে যান। গত বছর ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৯২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় মাত্র ৬৩ কোটি ডলার বা ২.৮৮% বেশি।

রেমিট্যান্স বাড়লেও রিজার্ভ কমে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। বৃহস্পতিবার দিন শেষে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। এর আগের দিন বুধবার শেষে রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাচ্ছে, আমদানি চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিদিন ডলার বিক্রি করছে।

সাধারণ হিসাবে, একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান রিজার্ভ থাকা উচিত। বাংলাদেশ এখন সেই মানদণ্ডের তলানিতে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com