শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামের প্রবীণ সাংবাদিক এম জামাল উদ্দিন আর নেই ব্যাটারি রিকশাকে বাসের ধাক্কা, আহত ৩ আড়াই কোটি মানুষ এবারই আরামে আতঙ্কহীন ঈদ উদযাপন করেছেন : মহানগর আমির শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে প্রাণ গেল ১০ জনের ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াতের উপস্থিতিতে চট্টগ্রামে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত চীনে এআই চালিত রোবট উন্মোচন, গৃহস্থালির কাজেও দক্ষ বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ কোনটি, বাংলাদেশ কোন অবস্থানে? রূপগঞ্জে মার্কেটে আগুনে ১৯ দোকান পুড়ে ছাই হামজাকে নিয়েই ভারত ম্যাচের দল ঘোষণা বাংলাদেশের ঈশ্বরদীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র আরও ১৫০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাইকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে আরও ১৫০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা–জাইকা। গতকাল শনিবার এ বিষয়ে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং জাপান সরকারের পক্ষে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইউয়োমা কিমিনোরি ও জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তুমোহিদে ঋণচুক্তিতে সই করেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

প্রকল্পটির নির্মাণকাজে ইতোপূর্বে ৬টি পর্যায়ে মোট ৪৩ হাজার ৭৭৫ কোটি ইয়েন ঋণ সহায়তা দিয়েছে জাইকা। গতকালের চুক্তিটি ছিল সপ্তম পর্যায়ের ঋণ নিয়ে। এ পর্যায়ে দেওয়া হচ্ছে ২১ হাজার ৭৫৫ কোটি ইয়েন বা ১৫০ কোটি ডলার।

গত ২০১৪ সাল থেকে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী এলাকায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের কয়লা বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ৫১ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৯২১ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে জাইকা। ৬ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব জোগান এবং ১ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা বাস্তবায়নকারী সংস্থা কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড বাংলাদেশ (সিপিজিসিবিএল) ব্যয় করবে ।

জাইকার ঋণে সুদ নির্ধারণ করা হয়েছে বিভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হারে। ইআরডির এক বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, নির্মাণকাজের জন্য সুদ ধরা হয়েছে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ১০ ও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হারে প্রতিশ্রুতি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১০ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে এ ঋণ পরিশোধ করা যাবে। আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। গেল আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৭৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর্থিক অগ্রগতি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com