বুধবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৪১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ বিল্লাল হোসেন।  আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট রাসেল । যোগাযোগ : ০৩১-৭২৮০৮৫, ০১৮১১৫৮৮০৮০ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com জহুর উল্লাহ বিল্ডিং (৩য় তলা), পানওয়ালা পাড়া, চৌমুহনী, উত্তর আগ্রাবাদ ১২৭৭, চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
উন্নয়ন চাইলে নৌকার বিকল্প নেই-ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বিজিবির শততম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ সম্পন্ন পদুয়ায় বাজারে সাত টি দোকানে ভয়াবহ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত সিএনজি চালক মোঃ কামাল হোসেন, মৃত্যুবরণ করেন সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগেই ‘হোঁচট’ খেয়েছেন চট্টগ্রামের পাঁচটি আসনে হেভিওয়েট আট প্রার্থী যশোরে বিএনপির ডাকা অবরোধে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক ভোটারের ভুয়া স্বাক্ষরসহ গুরুতর সব ‘গরমিল’ ২ স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন বাতিল হয়েছে মৃত্যু কুফে পরিনিত চট্রগ্রাম কক্সবাজার হাইওয়ে স্বামীরা ক্ষমতাধর,অর্ধাঙ্গিনীরা সম্পদশালী কেউ কেউ সম্পদে স্বামীকেও ছাড়িয়ে গেছেন সংসদীয় আসন নং-২৯২, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মোতালেব এবং ডা. মিনহাজের মনোনয়নপত্র বাতিল

রংপুর অঞ্চলের কৃষকরা সরিষা-মধুতে স্বপ্ন বুনছেন কৃষক

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রংপুর বিভাগের রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট এবং নীলফামারী এই ৫ জেলায় চলতি মৌসুমে ৩৮ হাজার ৪৩৩ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়।

এসব সরিষা ক্ষেতের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে মধু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২ হাজার ৯৫০টি মৌমাছির বক্স স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরে ২ হাজার ১৮৯টি মৌ বক্স স্থাপন করে গত মৌসুমে ২১ হাজার ৮০৬ কেজির বেশি পরিমাণ মধু উৎপাদন হয়েছে।সরিষা ও মধুতে স্বপ্ন বুনছেন। গত বছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

ফলে হলুদে হলুদে ভরে রয়েছে এ অঞ্চলের ক্ষেতগুলো। ভাল ফলনের পাশাপাশি ভাল দাম পাওয়ার আশায় কৃষকরা ক্ষেত পরিচর্যা করছে। অনেকে সরিষা ক্ষেতে মধু চাষ করে বাড়তি আয় করছেন।

এছাড়া এসব জেলার বিভিন্ন আম বাগানে ২২২টি মৌ বক্স স্থাপন করে আরও ৫ হাজার ৯০৪ কেজি এবং বিভিন্ন লিচু বাগানে ২৮৫টি মৌ বক্স স্থাপন করে অতিরিক্ত ৫ হাজার ৯০৪ কেজি মধু উৎপন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এবার গত বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

তবে চাষকৃত সকল সরিষা ক্ষেত এবং আম ও লিচু বাগানে পরিকল্পিতভাবে মৌচাষ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলে এসব উৎস থেকে প্রতি মৌসুমে মৌমাছির চাষ করে আরও প্রায় শত কোটি টাকা মূল্যের মধু উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

এসব উৎপাদিত মধু দেশের স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

রংপুর সদরের উত্তম এলাকার বেশ কয়েকজন সরিষা চাষি জানান, বর্তমানে তাদের সরিষা ক্ষেতের বয়স হয়েছে ৪০ দিনের বেশি। আর দেড় থেকে দুই মাস পরেই এ ফসল ঘরে উঠবে।

গত বছর ভাল দাম পাওয়ায় এবারও তারা সরিষা আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভাল ফলনের আশা করছেন তারা।তারা জানান, সরিষা আবাদে অন্যান্য ফসলের চেয়ে উৎপাদন ব্যয় অনেক কম এবং লাভ বেশি।

মাত্র ৪টি চাষ দিয়ে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। এছাড়া দু’বার পানি ও একবার সার দিয়েই সরিষার আবাদ করা যায়। ৯০ থেকে ১০০ দিনে এই ফসল ঘরে তোলা যায়। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন পাওয়া যায় এক হাজার ৪০০ কেজির মতো।

নভেম্বরের প্রথম থেকেই এই ফসল বপন করা হয় এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে সরিষা ঘরে তোলা যায়। প্রতি বিঘায় ফলন পাবেন ৫ থেকে ৬ মণ। বিঘায় খরচ পড়ে ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। এছাড়া মধু চাষ করলে বাড়তি আয় রয়েছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাহবুবর রহমান জানান, রংপুর অঞ্চলে লিচু এবং আম বাগানসহ সরিষা ক্ষেতে মৌচাষ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম চলছে। এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মৌচাষ ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে ব্যাপক সাফল্যের কাজ করছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com