বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নওগাঁ মহাদেবপুর উপজেলার শ্যামপুরে ব্রজলীলা উপলক্ষে ১৬ প্রহরব্যাপী লীলাকীর্তন অনুষ্ঠিত নওগাঁ সদর সহ বিভিন্ন উপজেলায় ৭৮ জন চিকিৎসক যোগদান মৌলভীবাজারে সামাজকর্মী হোসাইনের উপর হামলার আসামি গ্রেপ্তার তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় গিলে খাচ্ছে ইটভাটা, বন উজাড় করে জনবসতি ঘেঁষে পাহাড়ে ৬৪ ভাটা নওগাঁয় দীর্ঘদিনের প্রেম,পালিয়ে বিয়ে অতঃপর স্ত্রীর গহনা নিয়ে প্রেমিক স্বামী উধাও মৌলভীবাজারে তামিম হত্যার মূল আসামিকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে ঈদের আগে চড়া গরুর ও মুরগি মাংসের বাজার শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাত চক্রের সন্ধান, স্টেশন রোডে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৬ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, ৯ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে লাল পতাকা স্থাপন বিআরটিএ’র

১৩ নারীকে ধর্ষণ, শুনানিতে জানা গেল বিশ্বকাপজয়ী তারকার ভয়াবহ কাণ্ড!

এক রাতে ৩ নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা বেঞ্জামিন মেন্ডির বিরুদ্ধে। গতবছরেই ধর্ষণের অভিযোগে এই তারকাকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ। তবে সোমবার (১৫ আগস্ট) এই ডিফেন্ডারের বিচার কাজ শুরু হয়েছে চেশায়ারের আদালত।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়, মোট ১৩ নারীকে যৌন নিপীড়ন করেছেন মেন্ডি। যেখানে এক রাতেই নিজের বাসার পুল পার্টিতে ৩ জনকে ধর্ষণ করেন তিনি। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে উঠে আসে আরও ভয়াবহ তথ্য। জানা যায়, ১৭-১৯ বছর বয়সী মেয়েরাই ছিল মেন্ডির প্রধান টার্গেট। নানা প্রলোভন দেখিয়ে এই বয়সী মেয়েদেন নিজের বাড়িতে এনে মদ খাওয়াতেন মেন্ডি। বেশি মদ খাইয়ে তাদেরকে মাতাল করতেন এই সাবেক ম্যানসিটি তারকা। এরপরই তাদের ধর্ষণ করতেন তিনি। জ্ঞান ফিরলে নিজেদের বিধ্বস্ত অবস্থায় পেতেন সেসব নারী। এখানেই শেষ নয়। আদালতে ‘পশু’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে মেন্ডিকে। কারণ যৌন মিলনে সম্মতি না দিলেও জোর করে ধর্ষণ করতেন তিনি। ভুক্তভোগী দুই নারী বলেন, মেন্ডির পড়া ও ঘুমানোর কক্ষ ছিল অনেকটা ‘প্যানিক রুম’-এর মতো। যে রুম থেকে বেরোনোর রাস্তা ছিল না। কারণ, ভেতর থেকেই কেবল তালা খোলা যেতো। মেন্ডির কাছে এসব ছিল অনেকটা খেলার মতো। শুনানিতে আরও জানা যায়, এই ফুটবলার ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে গত বছরের আগস্টের মধ্যে মোট সাত তরুণীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করেন। এরমধ্যে বেশির ভাগ ঘটনাই ঘটেছে করোনাভাইরাস মহামারিতে লকডাউন চলাকালে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com