শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১৫৭টি মোবাইল- ল্যাপটপ নিয়ে পার্টি সোহেলসহ গ্রেপ্তার ৫

১৩ নারীকে ধর্ষণ, শুনানিতে জানা গেল বিশ্বকাপজয়ী তারকার ভয়াবহ কাণ্ড!

এক রাতে ৩ নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা বেঞ্জামিন মেন্ডির বিরুদ্ধে। গতবছরেই ধর্ষণের অভিযোগে এই তারকাকে রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ। তবে সোমবার (১৫ আগস্ট) এই ডিফেন্ডারের বিচার কাজ শুরু হয়েছে চেশায়ারের আদালত।

আদালতের শুনানিতে বলা হয়, মোট ১৩ নারীকে যৌন নিপীড়ন করেছেন মেন্ডি। যেখানে এক রাতেই নিজের বাসার পুল পার্টিতে ৩ জনকে ধর্ষণ করেন তিনি। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে উঠে আসে আরও ভয়াবহ তথ্য। জানা যায়, ১৭-১৯ বছর বয়সী মেয়েরাই ছিল মেন্ডির প্রধান টার্গেট। নানা প্রলোভন দেখিয়ে এই বয়সী মেয়েদেন নিজের বাড়িতে এনে মদ খাওয়াতেন মেন্ডি। বেশি মদ খাইয়ে তাদেরকে মাতাল করতেন এই সাবেক ম্যানসিটি তারকা। এরপরই তাদের ধর্ষণ করতেন তিনি। জ্ঞান ফিরলে নিজেদের বিধ্বস্ত অবস্থায় পেতেন সেসব নারী। এখানেই শেষ নয়। আদালতে ‘পশু’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে মেন্ডিকে। কারণ যৌন মিলনে সম্মতি না দিলেও জোর করে ধর্ষণ করতেন তিনি। ভুক্তভোগী দুই নারী বলেন, মেন্ডির পড়া ও ঘুমানোর কক্ষ ছিল অনেকটা ‘প্যানিক রুম’-এর মতো। যে রুম থেকে বেরোনোর রাস্তা ছিল না। কারণ, ভেতর থেকেই কেবল তালা খোলা যেতো। মেন্ডির কাছে এসব ছিল অনেকটা খেলার মতো। শুনানিতে আরও জানা যায়, এই ফুটবলার ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে গত বছরের আগস্টের মধ্যে মোট সাত তরুণীকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করেন। এরমধ্যে বেশির ভাগ ঘটনাই ঘটেছে করোনাভাইরাস মহামারিতে লকডাউন চলাকালে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com