সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়ন ও মূলধারার সাথে যুক্ত করতে হলে একটি কাঠামো ও শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। সেইসাথে প্রথমে হিজড়া গুরু প্রথা বন্ধ করতে হবে।
কারন গুরুরা সাধারণ তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের মারাত্বকভাবে নির্যাতন করে। দিন শেষে গুরুর দেয়া নির্ধারিত টাকা না দিতে পারলে খাওয়া বন্ধসহ মানষিক ও শারীরিক নির্যাতন করে।
এই পেশা থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে গুরুরা তা মেনে নেয় না। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক এসব কথা বলেছেন।
গতকাল (২৭ জুন) সোমবার দিনের আলো হিজড়া সংঘের আায়োজনে এক মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হয়।
সভায় তিনি বলেন, রাজশাহীতে বসবাসরত ১ হাজার ২০০ জন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যকে এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে হবে। এ বিষয়ে ডাটা কালেকশন করার পরামর্শ দেন তিনি।
দিনের আলো হিজড়া সংঘের সভাপতি মোহনার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) সুজায়েত ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মজিদ আলী বিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) সাজিদ হোসেন, ডিসি সদর রফিকুল হাসান, ডিসি ডিবি আরেফিন জুয়েল, ডিসি এনডি রাকিবুল রাকিব, এডিসি গোলাম রুহুল কুদ্দুস, দিনের আলো হিজড়া সংঘের উপদেষ্টা শ্যামল কুমার ঘোষ ও সেকেন্দার আলী, পুলিশ পরিদর্শক মোহতারেমা আশরাফী খানম ও জিল্লুর রহমান।