শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে অসময়ে যমুনার ভাঙনের ভয়াবহতা

পানি আসার শুরুতেই প্রমত্তা যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। অসময়ে নদী ভাঙ্গনে বসত-ভিটা হারিয়ে দিশেহারা চরপৌলী গ্রামের নদী পাড়ের মানুষ। গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী এলাকায় নদী ভাঙণে প্রায় ৩ শতাধিক ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। সরেজমিনে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ৭২ ঘন্টায় যমুনা নদী ভাঙনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলী এলাকায় মসজিদসহ প্রায় ৩ শতাধিক ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে। সরিয়ে নেয়া হয়েছে আরো ৩ শতাধিক ঘর-বাড়ি। হঠাৎ ভাঙনের ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষরা। হুমকিতে রয়েছে শত শত ঘরবাড়ী।স্থানীয় এক মুদি দোকানদার জানান, গত ১৫ দিনে এ পর্যন্ত তিনবার ঘর সরাইছি। তারপরও হুমকির মুখে রয়েছি। কখন বুঝি সব যমুনা গিলে খায়। ইউপি সদস্য আবুল বাশার বলেন, যমুনার পশ্চিম পাড় তথা নদীর ডান তীরে সিরাজগঞ্জের অংশে তথা চায়না বাধ নির্মাণ করায় পানির স্রোত ওই বাঁধে বাঁধা পেয়ে পূর্বপাড় নদীর বাম তীরে এসে আছড়ে পড়ছে। ফলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলী গ্রামের অংশে ব্যাপক ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, দু’শ বছরের পুরোনো গ্রামটিতে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৮ হাজার এবং ১৫ হাজার মানুষের বসবাস। প্রতি বছরই এলাকায় পশ্চিম দিক থেকে ২-৩ শত করে ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছে, আর আমরা পূর্ব দিকে সরে যাচ্ছি। এভাবে ভাঙতে থাকলে চরপৌলি নামক গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। আমাদের যাওয়ার আর কোন জায়গা থাকবেনা। শুধু ভেঙ্গে যাচ্ছে, গড়েনি কিছুই। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু জিও ব্যাগ ফেলেছিলেন সেগুলোর কোন চিহ্ন নেই। পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এসে কথা দিয়েছিলেন চরপৌলী গ্রামে পাথর ও জিও ব্যাগ দিয়ে বাঁধের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হবে। শুনেছি ওই প্রজেক্টটি জমা দেয়া হয়েছে কিন্তু তার কোন কার্যক্রম এখনো হয়নি। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ অবস্থায় কিছু করার নেই। কারণ লম্বা নদী ভাঙ্গন, কাজ করলেও এখন তা টিকবে না।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com