বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
মূল্যবোধের অবক্ষয় যখন সুস্পষ্ট তখন ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ ৯ নং পারিলা ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ সাঈদ আলী মোর্শেদ মব সৃষ্টি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে ডবলমুরিং থানা: ওসি আরিফ ফয়সাল ইসরাইলে ইহুদি-আরব জোট সরকার গঠনের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ল্যাভরভের পাশে ছবি তুলতে আপত্তি, জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ‘ফ্যামিলি ফটো’ বাতিল ধামইরহাটে পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বাড়াতে গম্ভীরা নাটিকা শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবককে মারধর, সালিসে চেক-স্ট্যাম্প নেওয়ার অভিযোগ ব্যাংকের নিলামে পেট্রোল পাম্প কিনেও শান্তিপূর্ণ ভোগদখলে বাধা, হয়রানির অভিযোগ চট্টগ্রামে এশিয়ান গ্রুপ ফুটসাল টুর্নামেন্ট শুরু, ৪ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চসিক: ডা. শাহাদাত ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় নৈতিক চরিত্র ও দৃঢ় ঈমান জরুরি: মুহাম্মদ শাহজাহান

চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা

 

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
চট্টগ্রামের-টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলায় মোট ৯,৯৩৩টি পুকুর ও দিঘি এবং ৩২০টি মাছের ঘের তলিয়ে মাছ ভেসে গেছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রাথমিক তথ্যমতে, এতে মৎস্য খাতে মোট ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

এদিকে, জেলা প্রশাসনের হিসাবে জেলার ১৫টি উপজেলা ও নগর মিলিয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৫০৩ জন মানুষ। তাদের মধ্যে নগরীতে রয়েছেন ৮ হাজার এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলায় রয়েছেন ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০৩ জন। জেলার মধ্যে সাতকানিয়ায় সবচেয়ে বেশি ২ লাখ ১৮ হাজার ৬১০ জন পানিবন্দি রয়েছেন।

এ ছাড়া হাটহাজারীতে ৭০ হাজার, সন্দ্বীপে ৫০ হাজার, বাঁশখালীতে ৩৮ হাজার, চন্দনাইশে ১২ হাজার, পটিয়ায় ৭ হাজার ১০ জন, সীতাকুণ্ডে ৫ হাজার ৬০৩ জন, রাউজানে ৫ হাজার, লোহাগাড়ায় ৪ হাজার, আনোয়ারায় ৩ হাজার ৫০০, মীরসরাই ও রাঙ্গুনিয়ায় ৩ হাজার করে, বোয়ালখালীতে ২ হাজার ৫৫০, ফটিকছড়িতে ২ হাজার ২৩০ এবং কর্ণফুলীতে ২ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তারা কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে, জেলার পটিয়া উপজেলায় বন্যায় ১৫টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৩৫টি পুকুর ও দিঘি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইভাবে রাউজান উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ৯০টি, চন্দনাইশে ১০টি ইউনিয়নের ৩৮৩টি, লোহাগাড়ায় ৯টি ইউনিয়নে ১ হাজার ৬২০টি, মীরসরাইয়ে ৩টি ইউনিয়নে ৯৭টি, সীতাকুণ্ডে ৩টি ইউনিয়নে ১০টি, সন্দ্বীপে ১৩টি ইউনিয়নে ৪১২টি, বোয়ালখালীতে ৯টি ইউনিয়নে ৭৫৬টি, আনোয়ারায় ১১টি ইউনিয়নে ১ হাজার ১০০টি, বাঁশখালীতে ১৪টি ইউনিয়নের ২৫০০টি, ফটিকছড়িতে ১৮টি ইউনিয়নে ৫৩৩টি, হাটহাজারীতে ৮টি ইউনিয়নে ১৭০টি, কর্ণফুলীতে ৫টি ইউনিয়নে ৫৫৭টি এবং রাঙ্গুনিয়ায় ১২টি ইউনিয়নে ২৭০টি পুকুর-দিঘির মাছ বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম বলেন, ‘গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জেলার ১৫টি উপজেলায় মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে ৩ হাজার ২১১ দশমিক ৯২ হেক্টর পুকুর-দিঘি ও ৯০০ হেক্টর মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ক্ষতি হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।’ এ ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com