মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ৬২ পিস ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুন, ১৭ বাংলাদেশি নিহতের খবর; ১৩ জন নওগাঁর মৌলভীবাজার চোলাই মদ ও ইয়াবাসহ আটক ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ বোতল এসকাফ সিরাপসহ গ্রেপ্তার ৩ নওগাঁয় এলজিইডি কার্যসহকারীকে জিম্মি করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা 

বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

 

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বসতঘর, কৃষিজমি, দোকানপাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও গির্জা পানিতে তলিয়ে গেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া এলাকায় ব্রিজঘাট সেতু ধসে পড়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে ভারী বৃষ্টিতে ইউনিয়নের অন্তত ১৪-১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। একইরাতে রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় রাবার ড্যামের বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর পানির তীব্র স্রোতে ব্রীজঘাট সেতু ধসে পড়ে।

বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাকির হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলে ফারুয়া বাজারসহ ১৪টি গ্রামের প্রায় ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আসা লোকজনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে ত্রাণ নিয়ে রওনা হয়েছি।’

উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, প্রথম দফার বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর শুক্রবার রাতের ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে। নেটওয়ার্ক না থাকায় অনেক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ফারুয়া বাজার পরিচালনা সমিতির সভাপতি হারুন বলেন, শুক্রবার রাতের বৃষ্টিতে পুরো বাজার ডুবে গেছে। এতে কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ২০২৩ সালের বন্যাতেও বাজারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

পাংখোয়া পাড়ার বাসিন্দা গ্যাব্রিয়েল পাংখোয়া বলেন, তাদের গ্রামের স্কুলও পানিতে তলিয়ে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

রাঙ্গামাটি জেলা সিভিল সার্জন নূয়েন খীসা বলেন, তীব্র স্রোতের কারণে এখনো মেডিকেল টিম ফারুয়ায় পৌঁছাতে পারেনি। পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রয়োজনীয় ওষুধসহ স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।

বাঘাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ অবস্থান করছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, পানি কিছুটা কমেছে, তবে দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ব্রিজজঘাট সেতু ধসে পড়ে শনিবার সকাল থেকে রাঙ্গামাটি-
বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা বলেন, সেতুটি বান্দরবান সড়ক বিভাগের আওতাধীন। সেখানে একটি বেইলি সেতু স্থাপন করতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। বান্দরবান সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যোগাযোগ পুনঃস্থাপনে একটি দল প্রস্তুত রয়েছে। তবে বালাঘাটা ও স্বর্ণমন্দির এলাকায় সড়কে পানি থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com