বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কালাইয়ে পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২ কিডনি রোগে শয্যাশায়ী স্বামী, সংসার চালাতে পথে বৌদি মৌলভীবাজারে ওজনে কারচুপির দায়ে ফিলিং স্টেশনকে লাখ টাকার অর্থদণ্ড অনাস্থা থেকে আস্থা—নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘিরে নতুন সমীকরণ ঝালকাঠিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ এর উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলের ‘ফ্যামিলি বাজার’ নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে যৌথ অভিযান, ৫০টির বেশি ফিশিং বোট তল্লাশি; আটক ২৪ শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ৬২ পিস ইয়াবাসহ দুই কারবারি গ্রেপ্তার সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুন, ১৭ বাংলাদেশি নিহতের খবর; ১৩ জন নওগাঁর

কিডনি রোগে শয্যাশায়ী স্বামী, সংসার চালাতে পথে বৌদি

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ

 

অভাবের সংসার। তার ওপর স্বামী গুরুতর কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী। স্বামীর চিকিৎসা ও সংসারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারটিকে। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে সংসারের হাল ধরেছেন নওগাঁ পৌর শহরের এক নারী।

নওগাঁ পৌর শহরের গোস্তহাটি মোড় শৈলগাছি টমটম স্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চা ব্যবসা করে আসছেন গণেশ দা। স্থানীয়দের কাছে পরিচিত মুখ হলেও বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী তিনি। আর্থিক সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতেও পারছেন না বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

স্বামীর অসুস্থতার পাশাপাশি সংসারের খরচ ও ওষুধের ব্যয় মেটাতে এখন কঠিন সময় পার করছেন তার স্ত্রী। কারও কাছে সাহায্যের জন্য হাত না পেতে নিজের সাধ্যমতো সংসার চালানোর চেষ্টা করছেন তিনি।

জানা গেছে, ২০২০/২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গোস্তহাটি মোড়ের একটি সমিতিতে প্রতি সপ্তাহে ২০০ টাকা করে সঞ্চয় জমা রাখতেন গণেশের স্ত্রী। এভাবে তার সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩০ হাজার ৬০০ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর ওই সমিতির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় এবং সংশ্লিষ্টরা আর যোগাযোগ রাখছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে বিপদের সময়ে নিজের জমানো টাকাটিও ফেরত পাচ্ছেন না তিনি।

পরিবারটির দাবি, বর্তমানে গণেশের চিকিৎসা ও সংসারের প্রয়োজন মেটাতে ওই সঞ্চয়ের টাকা তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সমিতির সংশ্লিষ্টদের কাছে দ্রুত সঞ্চয়ের অর্থ ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

স্থানীয়দেরও দাবি, অসুস্থ ও অসহায় পরিবারের দুর্দিনে তাদের প্রাপ্য সঞ্চয়ের অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সমিতির কার্যক্রম, অর্থের হিসাব এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com