শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট ভূঞাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩ শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মহাদেবপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, আহত ১ শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শ্রীমঙ্গলে বই পড়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি হাজী মুজিব মহাদেবপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি

অধিক মুনাফার আশায় শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুতের অভিযোগ, পচে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

 

মোঃ রেজাউল হক রহমত
ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় অধিক মুনাফার আশায় বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত করে রাখার অভিযোগ উঠেছে নবীনগর বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হুসেন এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল হুসেনের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বাজারে সম্ভাব্য সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে শত শত বস্তা পেঁয়াজ বিভিন্ন গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রত্যাশিত দামে বিক্রি করতে না পেরে দীর্ঘদিন গুদামে ফেলে রাখায় এখন সেই পেঁয়াজ পচে গিয়ে এলাকাজুড়ে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নারায়ণপুর, সোহাতা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থিত একাধিক গুদামে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এসব পেঁয়াজের বড় অংশ পচে গিয়ে অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন— যখন সাধারণ মানুষ উচ্চমূল্যে পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হচ্ছিল, তখন কার স্বার্থে এত বিপুল পরিমাণ পণ্য গুদামজাত করে রাখা হয়েছিল? বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কয়েকটি গুদামে স্তূপাকারে পড়ে থাকা পচা পেঁয়াজ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গন্ধের কারণে আশপাশের বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন। পাশাপাশি মাছি, পোকামাকড় ও জীবাণুর উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, অধিক মুনাফার আশায় করা এই মজুতদারি শেষ পর্যন্ত জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা অবিলম্বে পচা পেঁয়াজ অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে।

বর্তমানে এলাকাবাসীর একটাই দাবি— বাজার নিয়ন্ত্রণ, ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশাসন যেন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com