মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলে চোরচক্রের দুই সদস্য আটক, মালামাল উদ্ধার ডিমলায় ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল নবম শ্রেণির ছাত্রীর ধামইরহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাদকসেবী আটক: বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ধামইরহাটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে বালু খেকুদের থাবা, হুমকির মুখে নদী ও জনপদ চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম

সরকারি জমি পেতে কিস্তির টাকা তুলে ‘চাঁদা’ দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা মেহেদী কবিরাজের বিরুদ্ধে

 

স্টাফ রিপোর্টার:

লক্ষ্মীপুর জেলার চরবংশী ইউনিয়নে ভূমিহীন মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি জমি পেতে গিয়ে চরম হয়রানি ও আর্থিক দুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, জমি বরাদ্দ পেতে হলে স্থানীয় বিএনপি-ঘনিষ্ঠ নেতা মেহেদী কবিরাজকে ‘চাঁদা’ না দিলে কোনোভাবেই জমি মিলছে না।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, মেহেদী কবিরাজ চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক কবিরাজের ভাই। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি জমির ওপর তিনি ও তার সহযোগীরা একপ্রকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

 

ভুক্তভোগী কয়েকজন ভূমিহীন জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জমি পেতে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেন এবং স্থানীয় সমিতি থেকে কিস্তিতে ঋণ নিয়ে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক খরচ বহন করেন। কিন্তু বরাদ্দ প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এসে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। নির্দিষ্ট অঙ্কের ‘চাঁদা’ না দিলে ফাইল আটকে রাখা, তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া কিংবা নানা অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

 

এক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

“আমরা গরিব মানুষ। জমির আশায় কিস্তিতে টাকা তুলেছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে—আরও টাকা না দিলে জমি হবে না। না দিলে বছরের পর বছর ঘুরতে হবে।”

 

এ বিষয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ভূমিহীনদের পুনর্বাসনের মতো মানবিক কর্মসূচিকে রাজনৈতিক প্রভাব ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কলুষিত করা হলে প্রকৃত উপকারভোগীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

তবে স্থানীয় বিএনপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগগুলোকে “ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে দাবি করেন।

 

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে চরবংশী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি জমি যেন কোনো প্রকার চাঁদাবাজি বা রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া প্রকৃত উপকারভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

 

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com