সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
বহিস্কারই শেষ নয়, নবীনগরে নতুন রাজনীতির সূচনা হবে—তাপস নওগাঁর পত্নীতলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির উদ্যোগে নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত দায়িত্ব পালনে শতভাগ নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য প্রশাসনের: জেলা প্রশাসক ছাত্রদল নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার চট্টগ্রামে ভোটকেন্দ্র ঘিরে শঙ্কা, জেলায় ৬৫৫ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকির তালিকায় আনন্দঘন পরিবেশে শ্রীমঙ্গল আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষা সফর শ্রীমঙ্গলে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবিতে পিএফজির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকযোগে সাংস্কৃতিক প্রচারণা নেত্রকোনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে গদখালী ফুলের রাজ্যের পার্কসমূহ বন্ধ  নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতিবাদ অবস্থান

ভারতের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব কুম্ভমেলা শুরু সোমবার

ভারতের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব কুম্ভমেলা সোমবার শুরু হচ্ছে। আয়োজকরা মনে করছেন যে, ছয় সপ্তাহের এই হিন্দু ধর্মীয় উৎসবে ৪০ কোটি পূণ্যার্থী অংশ নেবে, খবর এএফপি’র আয়োজকরা বলেছেন, কুম্ভমেলার প্রস্তুতির ব্যাপারটা এমন যে, তাদেরকে একটা অস্থায়ী দেশ তৈরি করতে হয়েছে। যে দেশে আমেরিকা ও কানাডার সম্মিলিত মানুষের চেয়ে বেশি মানুষ সংখ্যক মানুষ বাস করবে।

মেলার মুখপাত্র বিবেক চতুর্বেদী বলেছেন, প্রায় ৩৫ কোটি থেকে ৪০ কোটি ভক্ত-সাধু মেলায় আসছেন; কাজেই, বুঝতেই পারছেন প্রস্তুতির ব্যাপারটা কেমন। চতুর্বেদী বলছেন, প্রায় দেড় লাখ টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে, কমিউনিটি একেকটি রান্নাঘর থেকে একবারে পঞ্চাশ হাজার মানুষ খেতে পারবে। মূল অনুষ্ঠান স্থলে ৬৮ হাজার এলইডি লাইট সেট করা হয়েছে যার আলো আকাশ থেকে দেখা যাবে। ২০১৯ সালে যখন শেষবার যখন আধা কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল তখন মেলাতে চব্বিশ কোটি পূণ্যার্থী অংশ নিয়েছিল। ভারত সরকার সূত্রে এমন জানা গেছে।

ভারত সরকার কুম্ভমেলাকে ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলবন্ধন হিসাবে ভাবে। যা একটা ছোট্ট ইন্ডিয়াকে তুলে ধরে। যেখানে কোনরূপ নিমন্ত্রণ ছাড়াই কোটি কোটি মানুষ আসে।

কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয় গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতী নদীর মোহনায়। যেখানে পূণ্য লাভের আশায় হাজার হাজার মানুষ একসাথে স্নান করে। অনেকে সপ্তাহব্যাপি হেঁটে মেলাস্থলে পৌঁছায়। হিন্দুরা মনে করে যারা গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর পবিত্র জলে স্নান করে মানুষ পাপ থেকে মুক্ত হয়। পুনর্জন্মের চক্র ভেঙ্গে বেরিয়ে যায়। পাপ থেকে পরিত্রাণ পায়।  ইউনেস্ক এই কুম্ভমেলাকে আধ্যাত্মিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। অনেক পূণ্যার্থী মেলাতে এসে সরল জীবনের স্বাদ পায়।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com