বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
আপনাকে পদোন্নতি দিব না, আপনি ফ্যাসিস্ট – বেরোবি উপাচার্য এপ্রিলে ৪৬৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০৪মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই সর্বোচ্চ চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বনভূমি দখল গাছ কাটার পেছনে বিট ও রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ চকরিয়া প্রেসক্লাবের উপ-দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক ফয়সাল আলম সাগর গণপূর্তে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের অভিযোগ: টেন্ডার, পদোন্নতি ও প্রকল্প বাণিজ্যে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে তোলপাড় শ্রীমঙ্গলে লোকালয় থেকে বাফ ট্রাইপড কিলব্যাক সাপ উদ্ধার সৌন্দর্যবর্ধনের নামে চুক্তি লঙ্ঘন করে স্থাপনা করা চলবেনা: মেয়র ডা. শাহাদাত সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির মুক্ত সভা নেত্রকোনায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে যুবক খুন

আপনাকে পদোন্নতি দিব না, আপনি ফ্যাসিস্ট – বেরোবি উপাচার্য

মাসফিকুল হাসান,বেরোবি প্রতিনিধি:
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উপাচার্যের অফিস কক্ষে রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ আব্দুল লতিফ পদোন্নতির বিষয়ে কথা বলতে গেলে সঙ্গে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন উপাচার্য অধ্যাপক ড মোঃ শওকাত আলী।
সোমবার (৪ মে) বিকাল ৫.২০ মিনিটে পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষক ড মোঃ আব্দুল লতিফ তাঁর পদন্নতির বিষয়ে জানতে উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশ করেন বিকেল ৫.১৫ মিনিটে। সেই সময় উপাচার্যের কক্ষে আগে থেকে অপেক্ষা করছিলেন সিএসই বিভাগের আরেক পদোন্নতি বঞ্চিত শিক্ষক ড প্রদীপ কুমার সরকার।
ভিসি কক্ষে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ মাসুদ রানা এবং অন্যজন হলেন রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ হারুন-আল-রশিদ। প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড সুমন কুমার দেবনাথ সহ আরও অনেকে। ভিসি কক্ষে ড প্রদীপ কুমার সরকার তাঁর বিষয়ে উপাচার্যকে অনুরোধ করছিলেন এবং ভিসিকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন তাঁর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়গুলো। এ সময় রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড মোঃ আব্দুল লতিফ অবিজ্ঞতার গণনার ব্যাপারটিতে পূর্বের যোগদান পত্রে যা লেখা আছে তা অনুসরণ করার জন্য ভিসিকে অনুরোধ করেন।
অথচ শিক্ষকদের এটি ন্যায্য প্রাপ্য । সূত্র থেকে জানা যায় অধ্যাপক পর্যায়ে পদন্নতির জন্য রেয়াত বন্ধ ছিল, পূর্বে কাউকেই তিনি রেয়াত দেন নি। বিষয়টি শিক্ষকরা মেনেও নিয়েছিল কিন্তু বিপত্তিটা শুরু হল ১১৭/১১৮ তম সিন্ডিকেটে অধ্যাপক পর্যায়ে পদন্নতির জন্য রেয়াত বন্ধের বিষয়টি যখন উঠিয়ে দেয়া হল। এই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে দিয়ে আবেদনের দুই দিনের মধ্যে বোর্ড করে একজন শিক্ষককে নীতিমালা ভঙ্গ করে অধিক প্রকাশনার জন্য সক্রিয় কালে রেয়াত দিয়ে পদোন্নতি প্রদান করা হলো। কিন্তু নীতিমালা অনুসারে প্রকাশনার জন্য চাকুরীর সক্রিয় কালে কখনেই রেয়াত দেয়া যাবে না, রেয়াত দেয়া যাবে সর্বমোট কর্মকালে। এক্ষেত্রে যদি কোন শিক্ষকের প্রয়োজনীয় পরিমাণ সক্রিয় কাল থাকে কিন্তু সর্বমোট কর্মকালের ঘাটতি থাকে তখন ঐ শিক্ষক তাঁর অতিরিক্ত প্রকাশনা থেকে সর্বচ্চ এ বছর রেয়াত নিয়ে ঐ ঘাটতি পূরণ করতে পারেন। কিন্তু যদি কোন শিক্ষকের প্রয়োজনীয় পরিমাণ সর্বমোট কর্মকাল থাকে কিন্তু সক্রিয় কর্মকাল ঘাটতি থাকে তখন ঐ শিক্ষক তাঁর অতিরিক্ত প্রকাশনা থেকে ঐ ঘাটতি কোনভাবেই পূরণ করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বের জন্য যে রেয়াত পাবে তা সক্রিয় কর্মকালের ঘাটতি পূরণ করবে । এই রেয়াতের বিষয়ে কোন নিয়ম ভঙ্গ করে পদোন্নতি নিয়ে থাকলে তা ভবিষ্যতে তদন্ত করে প্রমাণিত হলে নিয়ম ভঙ্গ করে পদন্নতি পাওয়া শিক্ষকের demotion ও হতে পারে। তবে উপাচার্য বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিল।
এসময় ড. মোঃ আব্দুল লতিফ তাঁর ন্যায্য পদোন্নতি দাবি করলে উপাচার্য তাঁর সঙ্গে বাক যুদ্ধে জড়িয়ে পরে। আব্দুল লতিফও উপাচার্যকে কটাক্ষ করে বলেন- আপনি একটা দুর্নীতিগ্রস্থ লোক, আপনি দুদকের মামলার আসামি।আপনাকে কাম্পাছে ঢুকতে দিব না ।
জবাবে উপাচার্য বলেন আপনাকে পদোন্নতি দিব না যা পারেন করেন, আপনি আওয়ামীলীগ, আপনি ফ্যাসিট।আপনি রুম থেকে বেড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে উপস্থিত থাকা কয়েকজনের সাথে কথা বলে বিষয় টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তারা সকলে বিষয় টি স্বীকারও করেন।
এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল লতিফের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যথাযথভাবে আবেদন করা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠিত নিয়োগ পত্রের শর্ত বাতিল করে তিনি আমাদের হয়রানি করছেন। অথচ আগের নিয়মেই অন্য কাউকে পদোন্নতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এক পর্যায়ে তিনি উপাচার্য দপ্তর থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। একজন শিক্ষক হিসেবে এটি লজ্জার এবং কষ্টের।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে একাধিক বার ফোন করেও ওনাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com