শনিবার, ২৫ Jul ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১৫৭টি মোবাইল- ল্যাপটপ নিয়ে পার্টি সোহেলসহ গ্রেপ্তার ৫

নওগাঁর নিয়ামতপুরে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এক নারী কর্মচারীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

 

উজ্জ্বল কুমার সরকার নওগাঁঃ

 

নওগাঁর নিয়ামতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এক নারী কর্মচারীর ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে কৌশলে ঘুষের টাকা লেনদেন করতে দেখা যায়।

ভিডিওতে দেখা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কেরানি কামরুন্নাহার টেবিলের এক পাশে বসে আছেন। অপর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের মধ্য থেকে একজনের কাছ থেকে তিনি কৌশলে অর্থ গ্রহণ করেন।

 

জানা গেছে, মঙ্গলবার গভীর রাত পর্যন্ত দলিল সম্পাদনের কাজ চলেছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে কোনো দলিল সম্পাদন করা হয় না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের কয়েকজন কর্মচারী জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবেই অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে, যা সাব-রেজিস্ট্রারের নিয়ন্ত্রণেই হয়। এটি এখন একটি প্রচলিত নিয়মে পরিণত হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুন্নাহার বলেন, “গতকাল সেবাগ্রহীতাদের চাপে একটু বেশি সময় ধরে দলিল সম্পাদন করতে হয়েছে।”অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “এই অর্থ নকলনবিশদের পারিশ্রমিক হিসেবে নেওয়া হয়েছে।”

 

জেলা রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com