মঙ্গলবার, ২১ Jul ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১৫৭টি মোবাইল- ল্যাপটপ নিয়ে পার্টি সোহেলসহ গ্রেপ্তার ৫ পটিয়ার বাইপাস রোডে বাস-প্রাইভেটকারে মুখোমুখি সংঘর্ষ : আহত ৫

সরকারি কাজের নাম করে দীর্ঘদিন ধরেই উর্বর ধানী জমির মাটি কাটছেন— একটি প্রভাব মহল

 

মোঃ রেজাউল হক রহমত, ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

১৪ নভেম্বর শুক্রবার ব্রাক্ষণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর পূর্ব পাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, উর্বর জমিতে ড্রেজার দিয়ে গভীর গর্ত তৈরি করে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে এবং সেই মাটি অন্যান্য এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, আবেদ আলীর প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। তারা বলেন, “আমাদের জমি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। প্রয়োজনে আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে যাবো।”

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কৃষক জানান, আবেদ আলী বছরজুড়ে বিভিন্নভাবে প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে জমি কাটার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে একটি জমি ৪০ থেকে ৫০ ফুট গভীর করে কেটে ফেলা হয়, ফলে পাশের জমিও ধসে পড়ে। পরে জমির মালিকেরা বাধ্য হয়ে কম দামে জমি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন।

 

কৃষকদের মতে, এভাবে ফসলি জমি কেটে বিক্রি হওয়ায় কৃষিজমি কমে যাচ্ছে, খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। নিচু জায়গা ও জলাধার ভরাটের কারণে বর্ষায় জলাবদ্ধতা, রাস্তা তলিয়ে যাওয়া—এসব সমস্যাও বাড়ছে। তাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের সম্পৃক্ততার কারণে এ ধরনের অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

 

অভিযোগের বিষয়ে ড্রেজার মালিক আবেদ আলীর দাবি, তিনি নাকি সরকারি অনুমোদন নিয়ে মাঠ ভরাট করছেন। তবে অনুমোদনের লিখিত কাগজপত্র চাওয়া হলে তিনি জানান—জুম্মার নামাজের পর ইউএনও এসে বিষয়টি দেখবেন।

 

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব চৌধুরী বলেন, “ফসলি জমি ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় নেই। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আবেদ আলীর সরকারি কাজের দাবির বিষয়ে তিনি আরও জানান, এ ধরনের কোনো অনুমোদনের বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং প্রয়োজন হলে কাগজপত্র যাচাই করে দেখার পরামর্শ দেন।

 

স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে ত্রি-ফসলি জমি উজাড় করে মাটি বিক্রি চলতে থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ দুটিই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ আশা করছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com