বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
শ্রীমঙ্গলে বিদেশি মদ ও চায়নিজ চাকুসহ আটক ৩ শ্রীমঙ্গলে বিদেশি মদসহ আটক ১ সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মাহাবুব সিদ্দিকীর যত বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শ্রীমঙ্গলে আকিজ রিসোর্সের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড ইনোভার-এর সাফল্যের যাত্রা বিজনেস মিট অনুষ্ঠিত মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান শ্রীমঙ্গল নাগরিক পরিষদের চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ১১২৩ লিটার চোলাই মদ জব্দ অভিযুক্ত না হয়েও সংবাদে ছবি ব্যবহারের অভিযোগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ ঈসা চৌধুরীর শ্রীমঙ্গলে বিদ্যালয়ে গার্লস গাইডদের দীক্ষা দান অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক চা শ্রমিকের শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, সাড়ে ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ

ঋণের ফাঁদে পড়ে ফেসবুক লাইভ শেষে জীবন দিল চারঘাটের মিঠুন

 

রাজশাহী প্রতিনিধি:

প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে।

রাজশাহীর চারঘাটের বনকিশোর গ্রামের প্রেমানন্দ দাসের ছেলে মিঠুন দাস (২৮) অবশেষে ঋণের বোঝা বইতে না পেরে জীবনের ইতি টানলেন। গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

 

মিঠুন ১৪ মাস আগে নাটোরের মেয়ে বিউটি দাসকে বিয়ে করেছিলেন। সংসারে এখন উপার্জন করার মতো কেউ নেই। প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে। কীভাবে এই ঋণ শোধ হবে, তা নিয়ে দিশেহারা মিঠুনের মা রানী দাস।

 

আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে এসে মিঠুন বলেন, “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। ডিসেম্বর থেকে বিপদ পিছু ছাড়ছে না। কোম্পানির ৩ লাখ টাকার মতো হারায়ে ফেলছি। জানি আমার পরিবারটাকে দেখার কেউ নাই। সরকারকে একটাই আবেদন, পরিবারটাকে ঋণমুক্ত করে বাঁচায়েন। মা-বাবা, ক্ষমা করে দিয়েন।”

 

মিঠুন আগে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করতেন। আগাম টাকা নিয়ে বাসায় বা অফিসে ক্যামেরা বসাতেন। গত ডিসেম্বর মাসে এক বন্ধুর কাছে দেড় লাখ টাকা দিয়েছিলেন ক্যামেরা কিনতে, কিন্তু বন্ধু টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে ধার করে ক্যামেরা কিনলেও ভুল সংযোগ দেওয়ায় সব ক্যামেরা পুড়ে যায়। এ কারণে আরও ২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়। এক কাজের ভুল থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঋণ জমে যায়।

 

পরবর্তীতে জীবিকার জন্য কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুরে বসবাস শুরু করেন মিঠুন। সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি তিন মাস আগে ওষুধ কোম্পানিতে ১০ হাজার টাকার চাকরিও নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই আয়ে ঋণের বোঝা আর সামলানো সম্ভব হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com