মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
সারা দেশে যান চলাচলের ওপর ভোটের দিন ২৪ ঘণ্টা যেসব যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা নির্বাচনী এলাকায় সাড়ে ৮১ ঘণ্টা ‘বহিরাগত অবস্থানে’ নিষেধাজ্ঞা ভাইরাল ছবি, অস্ত্র ও বিতর্ক: প্রবাসী আতিকুর রহমান শিশু মিয়ার গানম্যান গ্রেপ্তার নবীনগরে ধানের শীষের গণজোয়ার: পাইলট স্কুল মাঠে এম এ মান্নানের জনসভায় জনসমুদ্র চা বাগানের ভোটে বিজয়ী হতে চান স্বতন্ত্র প্রার্থী মহসীন মিয়া মধু মৌলভীবাজার-৪ আসনের খেলাফত প্রার্র্থী শেখ নূরে আলম হামিদীর নির্বাচনী ইশতেহার বহিস্কারই শেষ নয়, নবীনগরে নতুন রাজনীতির সূচনা হবে—তাপস নওগাঁর পত্নীতলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির উদ্যোগে নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত দায়িত্ব পালনে শতভাগ নিরপেক্ষ নির্বাচনই লক্ষ্য প্রশাসনের: জেলা প্রশাসক ছাত্রদল নেতার বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার

ঋণের ফাঁদে পড়ে ফেসবুক লাইভ শেষে জীবন দিল চারঘাটের মিঠুন

 

রাজশাহী প্রতিনিধি:

প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে।

রাজশাহীর চারঘাটের বনকিশোর গ্রামের প্রেমানন্দ দাসের ছেলে মিঠুন দাস (২৮) অবশেষে ঋণের বোঝা বইতে না পেরে জীবনের ইতি টানলেন। গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

 

মিঠুন ১৪ মাস আগে নাটোরের মেয়ে বিউটি দাসকে বিয়ে করেছিলেন। সংসারে এখন উপার্জন করার মতো কেউ নেই। প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে। কীভাবে এই ঋণ শোধ হবে, তা নিয়ে দিশেহারা মিঠুনের মা রানী দাস।

 

আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে এসে মিঠুন বলেন, “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। ডিসেম্বর থেকে বিপদ পিছু ছাড়ছে না। কোম্পানির ৩ লাখ টাকার মতো হারায়ে ফেলছি। জানি আমার পরিবারটাকে দেখার কেউ নাই। সরকারকে একটাই আবেদন, পরিবারটাকে ঋণমুক্ত করে বাঁচায়েন। মা-বাবা, ক্ষমা করে দিয়েন।”

 

মিঠুন আগে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করতেন। আগাম টাকা নিয়ে বাসায় বা অফিসে ক্যামেরা বসাতেন। গত ডিসেম্বর মাসে এক বন্ধুর কাছে দেড় লাখ টাকা দিয়েছিলেন ক্যামেরা কিনতে, কিন্তু বন্ধু টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে ধার করে ক্যামেরা কিনলেও ভুল সংযোগ দেওয়ায় সব ক্যামেরা পুড়ে যায়। এ কারণে আরও ২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়। এক কাজের ভুল থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঋণ জমে যায়।

 

পরবর্তীতে জীবিকার জন্য কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুরে বসবাস শুরু করেন মিঠুন। সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি তিন মাস আগে ওষুধ কোম্পানিতে ১০ হাজার টাকার চাকরিও নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই আয়ে ঋণের বোঝা আর সামলানো সম্ভব হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com