বৃহস্পতিবার, ১৩ Jun ২০২৪, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
চেয়ারম্যান: মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
হাড্ডাহাড্ডি দুই চৌধুরীর ‘লড়াই লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জিতে গেলেন খোরশেদুল আলম চৌধুরী কোন লক্ষণে বুঝবেন বিবাহবিচ্ছেদ ঘটতে পারে? সিসিটিভি ফুটেজ এবং ‘Hello CMP’ অ্যাপের “আমার গাড়ি নিরাপদ” সেবার সহায়তায় মুখে হাসি ‘সরকার নারীর গৃহস্থালি কাজের অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণের বিষয় বিবেচনা করছে’- অর্থ প্রতিমন্ত্রী যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে মোটরসাইকেল বিজয় হয়েছে কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নেমেছে, যেসব সিনেমা পুরস্কার পেল নওগাঁর বদলগাছিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে চন্দনা রানী নামে এক নারীর মৃত্যু নওগাঁ ঘোষপাড়া কালী মন্দিরের কালীর প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা আগামী বাজেটে মূল্য স্ফীতি রোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে- অর্থ প্রতিমন্ত্রী ধনবাড়ী সিঙ্গার প্লাস শো-রুম থেকে ফ্রিজ কিনে ১০০% ফ্রি ফ্রিজ বিজয়ী নুরজাহন বেগম

বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম,এ জলিলের জন্মদিন

উজ্জ্বল কুমার সরকারঃ

আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর অবঃ এমএ জলিল এর জন্মদিন। এম এ জলিল ১৯৪২ সালের ৯ই ফ্রেব্রুয়ারী বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাহার পুরো নাম মোহাম্মদ আব্দুল জলিল।

তবে তিনি মেজর এম এ জলিল নামেই পরিচিত। তাহার পিতার নাম জনাব আলী চৌধুরী ও মাতার নাম রাবেয়া খাতুন। উজিরপুর ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে তিনি মেট্রিক পাশ করেন৷ ১৯৬১ সালে পাকিস্তানের মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে আইএ পাস করেন এবং এর পাশাপাশি গ্রহণ করেন সামরিক শিক্ষা৷

১৯৬৫ সালে পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন৷ পরে মুলতানে কর্মরত থাকাকালে তিনি ইতিহাসে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন৷১৯৬২ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে ট্রেনি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন৷ সামরিক বাহিনীতে চাকুরিরত অবস্থায় তিনি বি.এ পাশ করেন৷

১৯৬৫ সালে তিনি কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১২নং ট্যাঙ্ক ক্যাভালরি রেজিমেন্ট অফিসার হিসেবে তৎকালীন পাক-ভারত যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন৷ ১৯৭০ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন৷ তিনি ১৯৭১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেছিলেন।মার্চে দেশ যখন স্বাধীনতার আন্দোলনে উত্তাল বঙ্গবন্ধুর ডাকে সবাই তৈরী হচ্ছেন তখন তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন ।

মুক্তিযুদ্ধে তাহাকে মুজিবনগর সরকারের নিয়োজিত সেনা বাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, ইপিআর বাহিনী ও আনসার বাহিনীর বাঙ্গালী অফিসার ও সৈনিকদের অগ্রাধিকার দিয়ে সাধারন জনগন তথা ছাত্র, কর্মজীবী, কৃষক, শ্রমিকদের সম্মনয়ে এগারটি সেক্টর তৈরী করে কর্নেল অবঃ( জেনারেল) ওসমানী সাহেবকে প্রধান সেনাপতি, কর্নেল অবঃ (মেজর জেনারেল) এম এ রব সাহেবকে সেনাবাহিনীর প্রধান করে এগার জন সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাকে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। মেজর জলিল নবম সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব লাভ করেছিলেন৷

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠনের সময়ে তিনি কাজ করেছিলেন। তিনি ছিলেন এ দলের যুগ্ম আহ্বায়ক৷ ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন৷ এছাড়া তিনি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন৷ ১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন৷ পরবর্তীকালে তিনি জাসদ ত্যাগ করে জাতীয় মুক্তি আন্দোলন নামে একটি দল গঠন করেন৷

১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মৃত্যুবরণ করেন৷ পরে ২২ নভেম্বর তার মৃতদেহ ঢাকায় আনা হয় এবং সামরিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁহাকে সমাহিত করা হয়েছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com