সোমবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:১৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ বিল্লাল হোসেন।  আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট রাসেল । যোগাযোগ : ০৩১-৭২৮০৮৫, ০১৮১১৫৮৮০৮০ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com জহুর উল্লাহ বিল্ডিং (৩য় তলা), পানওয়ালা পাড়া, চৌমুহনী, উত্তর আগ্রাবাদ ১২৭৭, চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
বেনাপোল থেকে চুরি হওয়া কাভার্ডভ্যান যশোরে উদ্ধার, আটক ৩ ঝিকরগাছায় পুলিশের সাথে বাটপারী করতে গিয়ে ধরা : মুচলেকায় মুক্তি ঝালকাঠির দুটি আসনে সাতজনের মনোনয়নপত্র বাতিল, আমু ও শাহজাহান ওমরসহ ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ লোহাগাড়ায় দুই চোর আটক, গরু ও গাড়ি জব্দ ট্রেনে আসার টিকিট থাকলেই হোটেলে ৭০ শতাংশ ছাড় স্বতন্ত্র প্রার্থী এম মোতালেবের সমর্থকদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার দুই থানায় নদভীর বিরুদ্ধে মোতালেবের জিডি লেখাপড়া করে যে গাড়ি-ঘোড়ায় ছড়ে সে আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শিল্পপতি মোঃ ফোরকান উল্যাহ চৌধুরী এবার এমপি আবু রেজা নদভীকে তলব অভিযোগ আচরণবিধি লঙ্ঘন ঝালকাঠির রাজাপুরে ২০ কেজি গাঁজা সহ আটক যুব প্রাইভেটকার জব্দ চট্টগ্রামে নৌকার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের বহু হেভিওয়েট

চলন্ত বাস থেকে ফেলে চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দিয়ে আবু সায়েম মুরাদ (৩০) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসটি পুড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে ওই বাসের চালক ও সহকারীকে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে পুলিশ চালক ও সহকারীকে আটক করে।

আজ (১৫ অক্টোবর) শনিবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আবু সায়েম মুরাদ নামের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ৮ নম্বর বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে বাসটি পুড়ে গেছে। তবে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। বাসের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বাস থেকে সহকারী তাকে ধাক্কা দেন। এতে আবু সায়েম মুরাদ নামের ওই যাত্রী সড়কে পড়ে মারা যান। তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত মুরাদের ভাই আবু সাদাত সায়েদ অভিযোগ করেন, চলন্ত বাস থেকে মুরাদকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সময় মুরাদ ৮ নম্বর বাসে ছিলেন। মুরাদকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার পর পর ওই বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।তিনি আরও বলেন, আমরা চার ভাই-বোন। আবু সায়েম মুরাদ সবার বড়। তার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা হচ্ছিল। মুরাদ মতিঝিলে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com