সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
সন্ত্রাসী পাহারায় চলছে আ.লীগ নেতার অবৈধ ইটভাটা প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ ভারতে পালানোর প্রস্তুতিকালে উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ও চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য গ্রেপ্তার হালিশহরে ১১ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা ও নারীসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যু রাজনৈতিক কৌশল, বললেন ট্রাম্প শ্রীমঙ্গলে ”সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত ভূঞাপুরে এক মাসের শিশু বাচ্চা কে নিয়মিত টিকার পরিবর্তে দেওয়া হয় কুকুর কামড়ানোর ভ্যাকসিন লোহাগাড়ায় চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাদ্রাসা সুপার নিহত, আটক ১ রান্নাঘরে ফনা তোলে বসেছিল প্রাণঘাতী কোবরা, অল্পের জন্য রক্ষা কুলাউড়ায় ডিবির অভিযানে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক ধামইরহাটে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের ইউপি কার্যালয়ে ফেরানোর নেপথ্যে কুচক্রী মহল

তানোরে পানির দাবিতে ক্ষেতেই কৃষকদের প্রতীকী কর্মসূচি

জ্যৈষ্ঠের বৃষ্টিতে ধান রোপণ করে বিপাকে পড়েছেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষকরা। অনাবৃষ্টির কারণে এখন সেই ধান বাঁচাতে দিশেহারা কৃষক। বৃষ্টির দেখা নেই, আবার গভীর নলকূপে ধরনা দিয়েও ধানের জন্য সম্পূরক সেচের পানি পাচ্ছেন না তারা।

পানির সংকটে পড়ে প্ল্যাকার্ড হাতে মাঠে দাঁড়িয়ে পানির দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। প্ল্যাকার্ডে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে- ‘আমরা কৃষক, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নই।’

আজ (১৯ জুলাই)  মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তানোর উপজেলার মোহর গ্রামে এ দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয় ‘মোহর স্বপ্ন আশার আলো’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে কৃষকরা মাঠে দাঁড়িয়ে এই প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে পানির দাবি জানান।

সংগঠনের পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, তারা আলু চাষের জন্য আগাম আমন ধান রোপণ করে থাকেন। এবার জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষদিকে যখন একটু বৃষ্টি হয়েছিল, তখন তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করেছিলেন। ধান লাগানোর জমি চাষ দিয়ে রাখার পর বীজতলাও তৈরি করে নিয়েছিলেন। আশা ছিল ১৫-২০ দিন বয়সী চারা রোপণ করবেন।

এদিকে, আস্তে আস্তে বীজতলার চারা বড় হলেও বৃষ্টির আর দেখা নেই। কোনো উপায় না পেয়ে আষাঢ় মাসের ১৮ তারিখ গভীর নলকূপে পানির সিরিয়াল দেয়ার জন্য নলকূপের চালকের কাছে ধরনা দিয়ে কোনোরকমে জমি তৈরি করে ধান রোপণের কাজ শেষ করেছেন তিনি। এরপর থেকে জমিতে আর পানি দেয়ার ব্যবস্থা হয়নি।

আলমগীর আরো বলেন, আশপাশের সব গ্রামের কৃষকের একই অবস্থা হয়েছে। সারাদিন গভীর নলকূপ চালু থাকলেও চাহিদার তুলনায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে এ সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয় ‘মোহর স্বপ্ন আশার আলো’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।আলমগীর হোসেন নিজ গ্রামের যুবকদের নিয়ে এই সংগঠন পরিচালনা করেন।

সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামের যুবকদের নিয়ে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে থাকেন। তাদের মনে হয়েছে, পানির সংকটের জন্য কৃষকরা কোনোভাবেই দায়ী নন।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণেই বৃষ্টি হচ্ছে না। তাই তারা পানির দাবি জানিয়ে মাঠে দাঁড়িয়েছেন। তারা বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আনতে চান।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com