শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
মানবিকতার অনন্য নজির: ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিলেন ওসি মিন্টু রহমান ইঞ্জিনের সংকটে কমেছে পণ্য সরবরাহ, বেড়েছে রাজস্ব বন্যায় কক্সবাজারে ২৩ মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় লাখ মানুষ বান্দরবান-রাঙ্গুনিয়া সড়কে সেতু ধসে পানিবন্দি ১১ হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সাতকানিয়া নৌকায় ভাসিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসছেন স্বজনেরা  চট্টগ্রামে বন্যায় ভেসে গেছে ৯৯৩৩টি পুকুর-দিঘির মাছ,ক্ষতি হয়েছে ৯১ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪৮ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক পানিবন্দী মানুষের চরম খাদ্য বিশুদ্ধ পানির সংকট বিত্তশালী সামর্থ্যবানদের কাছে আর্তনাদ অটোরিকশা উদ্ধারের নামে পুলিশ প্রশাসনের নামে টাকা আত্মসাধ করল কথিত সাংবাদিক ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

ব্রীজটি এখন গলার কাটা

অপরিকল্পিত ব্রীজটি কাজে আসছে না এলাকাবাসীর। ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী নয় ব্রীজটি। চলতে পারে না কোন প্রকার যানবাহন। এমনি এক আজব ব্রিজ নির্মাণ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন। ব্রীজটি তৈরী করেছেন প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা ব্যায়ে।তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ ব্রীজটি এলাকার স্বার্থে নয় ব্যাক্তি স্বার্থে নির্মাণ করা হয়েছে এমন আজব ব্রীজ।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা চরপাড়া গ্রামে আকাশী দামপাড়া যাতায়াতের রাস্তায় একটি ছোট খালের উপড় নির্মিত হয়েছে এই আজব ব্রীজটি।দূর্যোগ ব্যাবস্হাপনা অধিদপ্তরের সেতু/ কালভার্ট কর্মসুচীর আ্ওতায় এ ব্রীজটি নির্মিত হয়েছে২০১৬-১৭ অর্থ বছরে। প্রকল্পের নাম আকাশী পুন্ডুরা -চরপাড়া মোঃ আদমের বাড়ীর পার্শ্বে সেতু নির্মাণ। ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ২০ ফুট। এ ব্রীজটির নির্মাণ ব্যায় ধরা হয়েছে ১৫ লাখ ৯১হাজার ৭ শত ১৮ টাকা।

৫ বছর কেটে গেলেও ব্রিজের দুই পার্শে মাটি দ্ধারা ভরাট করা হয়নি। মাটি দ্ধারা ভরাট না করার ফলে যাতায়াতের উপযোগী হয়নি ব্রীজটি। ব্রীজের দুই পাশে খাড়া ঢালু থাকায় পায়ে হেটে চলাচল করতে পারলেও একটি রিক্সা ভ্যন নিয়ে চলাচল করা সম্ভব নয়। চলতে পারে না কোন যানবাহন। যে কারনে ব্রীজটি কোন উপকারে আসছে এলাকাবাসীর।

একাধিক এলাকাবাসী জানান ব্রীজটি অপরিকল্পিত ভাবে ব্যাক্তি স্বার্থে ব্রীজটি নির্মাণ করার কারনে কোন উপকারেই আসছেনা। এত টাকা ব্যায় করে ব্রীজটি নির্মাণ করায় ব্রীজের দুই পাশে মাটি না থাকায় কোন যানবাহন চলতে পারে না। বরং ব্রীজটি এলাকাবাসীর গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক ষাটোর্ধ ব্যাক্তি বলেন এটা উন্নয়ন নয় বরং এলাকাবাসীর সাথে তামাশা করা। তিনি বলেন এলাকাবাসীর ব্রীজের প্রয়োজন। কিন্তু এমন ব্রীজ কারো প্রয়োজন নয়, যে ব্রীজ দিয়ে কারো উপকারে আসছেনা। ঠিকাদারের লাভের জন্যই এমন অকেজো ব্রীজ নির্মাণ করে রেখেছে সরকারে লাখ লাখ টাকা ব্যায় করে। এতে দেশের সম্পদ নষ্ট হয়েছে। ব্রীজটি কোন কাজে আসছে না।

এব্যাপারে ভূক্তভোগী এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছেন। যাতে করে ব্রীজের দুই পাশে মাটি দ্ধারা ভরাট করে যাতায়াতের উপযোগী করে দেয়া হয়।
Attachments area

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com