শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার :
আল-আরাফাহ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব আবারও উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বের ১২ জন উদ্যোক্তা পরিচালক এবং দুইজন স্বতন্ত্র পরিচালককে নিয়ে ১৪ সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করেছে। এই সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
নতুন পরিচালনা পর্ষদে কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, কেডিএস গার্মেন্টসের প্রতিনিধি পরিচালক মাহবুব আহমেদ এবং কেডিএস টেক্সটাইলের প্রতিনিধি পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ স্থান পেয়েছেন।
এ ছাড়া পর্ষদে রয়েছেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান, এনায়েত উল্লাহ, সেলিম রহমান, আহামেদুল হক, রফিকুল ইসলাম, ইমাদুর রহমান, নাজমুল আহসান খালেদ, আনোয়ার হোসাইন, আবদুস সালাম, লিয়াকত আলী চৌধুরী এবং কেওয়াই স্টিল মিলসের প্রতিনিধি পরিচালক শরিফ উদ্দিন তসলিম।
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক দীর্ঘদিন এস আলম গ্রুপের মালিকানায় থাকলেও নিয়ন্ত্রণে ছিলো কেডিএস গ্রুপ। সেই সুবাদে কয়েকশ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ ওঠেছে সাবেক দুই পরিচালকের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সরকারের উর্ধ্বতন মহলের সাথে সুসম্পর্ক রেখে কেডিএস গ্রুপের এমডি ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম রহমান ও তার ভগ্নিপতি ব্যাংকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শামীম ইকবাল ওই ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে ঋণের নামে কয়েকশো কোটি টাকা বের করে বিদেশে পাচার করেছেন। এস এম শামীম ইকবাল ও তার স্ত্রী হাসিনা ইকবাল কেডিএস গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। তার শ্বশুর কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক ক্যাপিটাল সার্ভিসেস লি. এর চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান অতীতে ন্যাশনাল ব্যাংকে পরিচালক থাকাকালীন অর্থ
আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে তদন্তাধীন অন্তত পাঁচটি মামলার আসামী।
উল্লেখ্য, কেডিএস গ্রুপের দুই শীর্ষ পরিচালক ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কানাডায় শতকোটি টাকা পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল কিছুদিন আগে। অভিযোগের কেন্দ্রে ছিল কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম রহমান এবং তার ভগ্নিপতি ব্যাংকটির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শামীম ইকবাল।