বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট ভূঞাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩ শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মহাদেবপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, আহত ১ শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শ্রীমঙ্গলে বই পড়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি হাজী মুজিব মহাদেবপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি

ঋণের ফাঁদে পড়ে ফেসবুক লাইভ শেষে জীবন দিল চারঘাটের মিঠুন

 

রাজশাহী প্রতিনিধি:

প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে।

রাজশাহীর চারঘাটের বনকিশোর গ্রামের প্রেমানন্দ দাসের ছেলে মিঠুন দাস (২৮) অবশেষে ঋণের বোঝা বইতে না পেরে জীবনের ইতি টানলেন। গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

 

মিঠুন ১৪ মাস আগে নাটোরের মেয়ে বিউটি দাসকে বিয়ে করেছিলেন। সংসারে এখন উপার্জন করার মতো কেউ নেই। প্রায় ৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা এসে পড়েছে পরিবারের ঘাড়ে। কীভাবে এই ঋণ শোধ হবে, তা নিয়ে দিশেহারা মিঠুনের মা রানী দাস।

 

আত্মহত্যার আগে ফেসবুক লাইভে এসে মিঠুন বলেন, “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। ডিসেম্বর থেকে বিপদ পিছু ছাড়ছে না। কোম্পানির ৩ লাখ টাকার মতো হারায়ে ফেলছি। জানি আমার পরিবারটাকে দেখার কেউ নাই। সরকারকে একটাই আবেদন, পরিবারটাকে ঋণমুক্ত করে বাঁচায়েন। মা-বাবা, ক্ষমা করে দিয়েন।”

 

মিঠুন আগে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ করতেন। আগাম টাকা নিয়ে বাসায় বা অফিসে ক্যামেরা বসাতেন। গত ডিসেম্বর মাসে এক বন্ধুর কাছে দেড় লাখ টাকা দিয়েছিলেন ক্যামেরা কিনতে, কিন্তু বন্ধু টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে ধার করে ক্যামেরা কিনলেও ভুল সংযোগ দেওয়ায় সব ক্যামেরা পুড়ে যায়। এ কারণে আরও ২ লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়। এক কাজের ভুল থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ঋণ জমে যায়।

 

পরবর্তীতে জীবিকার জন্য কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুরে বসবাস শুরু করেন মিঠুন। সেখানে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি তিন মাস আগে ওষুধ কোম্পানিতে ১০ হাজার টাকার চাকরিও নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই আয়ে ঋণের বোঝা আর সামলানো সম্ভব হয়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com