শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু ভরাট ভূঞাপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা জয়পুরহাটে আদিবাসী কিশোরের মরদেহ সমাধিতে বাধা, হামলায় আহত ৩ শ্রীমঙ্গলে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী মহাদেবপুরে গভীর রাতে বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগ, আহত ১ শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির ‘সাইবোল্ডস ওয়াটার স্নেক’ উদ্ধার কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শ্রীমঙ্গলে বই পড়ায় শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি হাজী মুজিব মহাদেবপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, ৪০ লাখ টাকার মাছের ক্ষতি

বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম,এ জলিলের জন্মদিন

উজ্জ্বল কুমার সরকারঃ

আজ ০৯ ফেব্রুয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর অবঃ এমএ জলিল এর জন্মদিন। এম এ জলিল ১৯৪২ সালের ৯ই ফ্রেব্রুয়ারী বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাহার পুরো নাম মোহাম্মদ আব্দুল জলিল।

তবে তিনি মেজর এম এ জলিল নামেই পরিচিত। তাহার পিতার নাম জনাব আলী চৌধুরী ও মাতার নাম রাবেয়া খাতুন। উজিরপুর ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে তিনি মেট্রিক পাশ করেন৷ ১৯৬১ সালে পাকিস্তানের মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে আইএ পাস করেন এবং এর পাশাপাশি গ্রহণ করেন সামরিক শিক্ষা৷

১৯৬৫ সালে পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন৷ পরে মুলতানে কর্মরত থাকাকালে তিনি ইতিহাসে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন৷১৯৬২ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে ট্রেনি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন৷ সামরিক বাহিনীতে চাকুরিরত অবস্থায় তিনি বি.এ পাশ করেন৷

১৯৬৫ সালে তিনি কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১২নং ট্যাঙ্ক ক্যাভালরি রেজিমেন্ট অফিসার হিসেবে তৎকালীন পাক-ভারত যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন৷ ১৯৭০ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন৷ তিনি ১৯৭১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেছিলেন।মার্চে দেশ যখন স্বাধীনতার আন্দোলনে উত্তাল বঙ্গবন্ধুর ডাকে সবাই তৈরী হচ্ছেন তখন তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন ।

মুক্তিযুদ্ধে তাহাকে মুজিবনগর সরকারের নিয়োজিত সেনা বাহিনী, বিমান বাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, ইপিআর বাহিনী ও আনসার বাহিনীর বাঙ্গালী অফিসার ও সৈনিকদের অগ্রাধিকার দিয়ে সাধারন জনগন তথা ছাত্র, কর্মজীবী, কৃষক, শ্রমিকদের সম্মনয়ে এগারটি সেক্টর তৈরী করে কর্নেল অবঃ( জেনারেল) ওসমানী সাহেবকে প্রধান সেনাপতি, কর্নেল অবঃ (মেজর জেনারেল) এম এ রব সাহেবকে সেনাবাহিনীর প্রধান করে এগার জন সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাকে সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। মেজর জলিল নবম সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব লাভ করেছিলেন৷

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠনের সময়ে তিনি কাজ করেছিলেন। তিনি ছিলেন এ দলের যুগ্ম আহ্বায়ক৷ ১৯৭৩ সালে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন৷ এছাড়া তিনি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন৷ ১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন৷ পরবর্তীকালে তিনি জাসদ ত্যাগ করে জাতীয় মুক্তি আন্দোলন নামে একটি দল গঠন করেন৷

১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মৃত্যুবরণ করেন৷ পরে ২২ নভেম্বর তার মৃতদেহ ঢাকায় আনা হয় এবং সামরিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করা হয়। মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁহাকে সমাহিত করা হয়েছিল।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com