মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ডবলমুরিংয়ে জাতীয়তাবাদী ব্যাটারি চালিত থ্রি হুইলার যান শ্রমিক দলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ১৫৭টি মোবাইল- ল্যাপটপ নিয়ে পার্টি সোহেলসহ গ্রেপ্তার ৫ পটিয়ার বাইপাস রোডে বাস-প্রাইভেটকারে মুখোমুখি সংঘর্ষ : আহত ৫ লামা ডলুছড়ি রেঞ্জ থেকে রাতের আঁধারে পাচার হচ্ছে অবৈধ ট্রাক ভর্তি কাঁচা বাঁশ কক্সবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ৩৮ পরিবার পেল ১ কোটি টাকার অনুদান গ্রেপ্তারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে মারা গেলেন যুবলীগ নেতা চান্দগাঁও থানা জামায়াতের নির্বাচন বিভাগীয় দায়িত্বশীল সমাবেশে মুহাম্মদ উল্লাহ টেকনাফে দুর্ঘটনাকবলিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা দিল কোস্ট গার্ড চট্টগ্রামে আ.লীগের নাশকতা প্রতিরোধে এনসিপির মিছিল নাইক্ষ্যংছড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার

কোনোভাবেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারছেন না টাঙ্গাইলের তাঁতি ও ব্যবসায়ীরা

টাঙ্গাইলের বাজিতপুরে জমজমাট শাড়ির হাট। কাকডাকা ভোর থেকেই বিভিন্ন জেলা-উপজেলার শাড়ি ব্যবসায়ী ও তাঁতিরা এখানে শাড়ি কিনতে ছুটে আসেন। তবে সুতা ও অন্যান্য কাঁচামালের দাম বাড়ায় তারা লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারছেন না। এদিকে হাট কর্তৃপক্ষের দাবি, হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণে সুযোগ-সুবিধা না থাকায় আগের মতো ক্রেতা-বিক্রেতা আসছেন না। ফলে তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
কাকডাকা ভোরেই ক্রেতা-বিক্রেতায় সরগরম হয়ে ওঠে টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার বাজিতপুর কাপড়ের হাট। তবে কোনোভাবেই যেন লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারছেন না টাঙ্গাইলের তাঁতি ও ব্যবসায়ীরা।
অতিমারি করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ায় বিভিন্ন হাটবাজার বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে তাঁতিরা তাদের উৎপাদিত শাড়ি ও কাপড় বিক্রি করতে পারেননি। ওই সময় প্রত্যেক তাঁতিকেই লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।
করোনার ধাক্কা সামলে অনেকেই ধারদেনা করে নতুন ‍পুঁজি নিয়ে পুনরায় ব্যবসার কার্যক্রম শুরু করেন। তবে লাগামহীনভাবে সুতার দাম বাড়তে থাকায় লোকসান কাটিয়ে ওঠার আগেই আবারও তাদের পুঁজি হারাতে হয়েছে। প্রতি কার্টন সুতার দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। কিন্তু প্রতিটি শাড়ির দাম মাত্র ১০০-২০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এসব তাঁতি দিন দিন শাড়ি ‍উৎপাদনে বিমুখ হচ্ছেন।
এর জন্য দ্রুত সরকারি প্রণোদনাসহ সুতার সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁতি ও ব্যবসায়ীরা।
অপরদিকে হাট ইজারাদার মাসুদ মিয়া জানান, শত বছরের পুরোনো হাটে কোনো প্রকার সুযোগ-সুবিধা নেই। তাই আগের মতো দূরের পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসছেন না। এতে তাদের লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com