মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তদন্ত ও অপরাধ দমন কর্মকান্ড পর্যালোচনায় জেলা পুলিশ খুলনা রেঞ্জের ‘শ্রেষ্ঠ জেলা পুলিশ’ মনোনীত হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ মহিদ উদ্দিনের হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহাবুব হাসান (পিপিএম)।
সোমবার(২৩ মে) দুপুরে খুলনা রেঞ্জের এপ্রিল মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (এ্যাডমিন এ্যান্ড ফিন্যান্স) এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।
খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খ মহিদ উদ্দিন বলেন,আজ পুলিশ জীবনের ঝুকিঁনিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলছে।ইতি মধ্যে খুলনা জেলা পুলিশ একের পর এক বিভিন্ন বড় বড় হত্যাকান্ড গুলি সততার সাথে কাজ করছে। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মাহবুব হাসান (পিপিএম)। তিনি বলেন,গত ২৫/১০/২০২১ তারিখ হইতে ২৬/১০/২০২১ তারিখ সকাল ৭টা সময় খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন বামিয়া গ্রামের একই পরিবারের বাবা হাবিবুর রহমান (২) হাবিবুল্লাহ (৩৬),স্ত্রী বিউটি বেগম (৩২),কন্যা হাবিবা সুলতানা টুনি (১২ কে হত্যাকরে তাদের বাড়ির পাশে পুকুরে অজ্ঞাতনামারা কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়।
এই ঘটনায় ভিকটিম হাবিবুরের মাতা মোচ্ছা: কোহিনুর বেগম এর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়রা থানায় একটা মামলা রুজু হয়।মামলাটি পুলিশ তদন্ত করে ১,মো: জিয়ার রহমান (৪১)২, মোসা: রাজিয়া সুলতানা (৩৪) ৩,মো: রহমান (৪৭)সহ মোঠ ৭ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই মামলাটি তদন্তভার খুলনা জেলা ডিবির কাছে দিলে, লাগাতার অভিযানে মামলার অণ্যতম আসামী আব্দুর রশিদ গাজী (৩৪)কে গ্রেফতার করলে আসামী আব্দুর রশিদ গাজী বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তি মৃলক জবানবন্দি সত্যতা শিকার করে বলেন,(১)মো: সাইফুল ইসলাম ওরপে বাবলু (৪৫) (২) আল আমিন হোসেন (৩৪) (৩) আসলাম সরদার (৪৭) (৪) আব্দুর ওহাব ওরপে হক (৫৭)
( ৫) তাসলিমা (৪৭) (৬) শামীমুল ইসলাম অজ্ঞন (৫০) (৭) ও মোস্তফা কামাল (৩২) সহ মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করে জেলা ডিবি পুলিশ।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, আসামী আব্দু রশিদ ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলো। গ্রেফতার পর আসামী রশিদ আরও জানায় মো: জিয়াউর রহমান ও মোসা: রাজিয়া সুলতানার সাথে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ সর্ম্পকের বাধার কারনে ভিকটিম হাবিবুরকে সরিয়ে দেয়ার জন্য আসামী জিয়াউর ও সামছুর এর নেতৃত্বে গত ২৫/১০/২০২১ তারিখ রাত গভীর দিকে ভিকটিম হাবিবুর রহমানের স্ত্রী ও কন্যাকে ধর্ষন করে পানিতে ফেলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মম ভাবে হত্যা করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার মৃলকারন হলো যৌনলালসা, প্রতাণামৃলক আর্থিক লেনদেন ও পরকীয়া সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে হত্যাকান্ডটি দলবদ্ধ ভাবে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রতিয়মান হয়।
গ্রেফতারকৃত ৬ আসামীর বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড হয়েছে ও বিধি মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অতিদ্রত পুলিশ রিপোর্ট প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মাহবুব হাসান জানান।পুলিশ জনতা জনতাই পুলিশ, আমরা খুলনা জেলাকে মাদক মুক্ত অস্ত্র মুক্ত করার লক্ষ্যনিয়ে কাজ করছি।একটা আধনিক মডেল খুলনা জেলা হবে বলে আমি মনে করি।