সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ শতাংশের কম ভোটে জয়ী ১৫ এমপি সংসদ সদস্যের গাড়িবহরের ধাক্কায় শিশু খালেদ বিন ওয়ালিদের মৃত্যু পাহাড় বাঁচাতে গিয়ে বন কর্মকর্তাসহ দুজনকে পিটিয়ে জখম শ্রীবরদীর প্রয়াত জামায়েত নেতা বাদলের পরিবারের পাশে সাংসদ রাশেদুল ইসলাম নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নে অবৈধ বালু উত্তোলন: হামলার ঘটনার পর কঠোর অবস্থানে এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান নওগাঁর মান্দায় র ্যাবের বিশেষ অভিযানে ১৫০ বোতল ফেয়ারডিল উদ্ধারসহ ৩ নারী আটক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মণিরামপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এতিমদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুলের ইফতার  নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য হাজী মুজিবকে নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ শতাংশের কম ভোটে জয়ী ১৫ এমপি

 

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
নির্বাচনে ৪০ শতাংশের কম ভোটে জয়ী ১৫ এমপি । গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে ৪০ শতাংশের কম ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য হয়েছে ১৫ জন।
তবে এবারের নির্বাচনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। ওই আসনে মোট জমা পড়া ভোটের ৩৪.৫৬ শতাংশ পেয়েছেন তিনি।ময়মনসিংহ-৬ আসনে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির কামরুল হাসান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এই আসনে মোট জমা পড়া ভোটের ৩৩.০৩ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। এখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আখতার সুলতানা। ফুটবল প্রতীক নিয়ে তিনি ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-২ (সদর ও রাজৈর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান। তিনি পেয়েছেন ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট। মোট জমা পড়া ভোটের ৩২.৩৮ শতাংশ পেয়ে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট। একই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুস সোবাহান রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১৬৯ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৩ জন। গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. সেলিমুজ্জামান মোট জমা পড়া ভোটের ৩৫.৮৭ শতাংশ পেয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৮৬৭। গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩২৪। এখানে বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬২১টি। বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৪৬৪ ভোট। ভোটের হার ৩৯.৮৩ শতাংশ। এই আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা. কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর ও নিকলী) আসনে হাঁস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। মোট জমা পড়া ভোটের ৩৮.৫০ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট। নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল ১ লাখ ২৭ হাজার ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। মোট দেওয়া ভোটের ৩৮.১২ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৯০ হাজার ৫৬৮ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ মান্নান জয়ী হন। তিনি পান ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট। মোট জমা পড়া ভোটের ৩৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। কুমিল্লা-২ (হোমনা ও তিতাস) আসনে বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া পেয়েছেন পোস্টাল ভোটসহ ৭৭ হাজার ৩৭ ভোট। এটি মোট জমা পড়া ভোটের ৩৮.২৫ শতাংশ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী তালা প্রতীক নিয়ে আবদুল মতিন পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৭৭৫ জন।‌কুড়িগ্রাম-১ আসনে ২৩১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৮ জন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ১ লাখ ৪১ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। মোট জমা পড়া ভোটের ৩৯.৫৪ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। দিনাজপুর-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এজেডএম রেজওয়ানুল হক তালা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। জমা পড়া ভোটের ৩৪.৪৩ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির ডা. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী একেএম কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট। মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী। মোট জমা পড়া ভোটের ৩৬.২৬ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বিএনপির নাদিরা আক্তার পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট। সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ আবুল হাসান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট; যা মোট জমা পড়া ভোটের প্রায় ৩৮ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের ওবায়দুল্লাহ ফারুক পান ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৪৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। চাঁদপুর-৪ আসনে ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান। প্রদত্ত ভোটের ৩৫ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট এবং জামায়াতের বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৬৯২ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট। মোট জমা পড়া ভোটের ৩৮.৫৪ শতাংশ পেয়েছেন তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com