শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
সীমান্ত সুরক্ষা ও আসন্ন নির্বাচন নির্বিঘ্ন রাখতে বিজিবির কঠোর নজরদারি মণিরামপুরে জাতীয় পার্টির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে দুই শত বছরের প্রাচীন শুক্লাম্বর দীঘির মেলায় পুণ্যার্থীদের ঢল জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে আদিনা সরকারি কলেজ জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত মুকসুদপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রচারণা  নেত্রকোনায় যোগদানের পর থেকেই একের পর এক অপরাধ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন – পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম  নেত্রকোনায় গত ১ বছরে  ২০৭টি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বিজয়নগরে ১০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাঞ্ছারামপুরের ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু তীব্র শীতকালীন ঝড় ও ঠান্ডায় বিপর্যস্ত গাজা: শিশুসহ অন্তত ৮ ফিলিস্তিনি নিহত

হালিশহর থানার ক্যাশিয়ারের পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ

চট্টগ্রাম অফিস:

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) হালিশহর থানার ক্যাশিয়ারের পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে নুরুল আমিন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিজেকে থানার ক্যাশিয়ার পরিচয় দিয়ে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছে অর্থ দাবি করেছেন।

 

গোপন সূত্রে জানা যায়, নুরুল আমিন নামের ওই ব্যক্তি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মালিককে ০১৮৮৩৬৭০৮৯৪ নাম্বার থেকে ফোন করে নিজেকে হালিশহর থানার ক্যাশিয়ার পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি থানার ক্যাশিয়ার, থানার টাকা আমাকে দিতে হবে।” ফোনালাপে তিনি থানার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্ক্রেপের দোকান, গাছের দোকান, কুরিয়ার সার্ভিসের কাছে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

 

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা বলে মনে করছেন।

 

 

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নুরুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, “আমাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।” তবে তিনি কী ধরনের দায়িত্ব, কার মাধ্যমে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পেয়েছেন—সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

 

 

এ বিষয়ে হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন , থানার নামে কেউ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে এ ধরনের চাঁদাবাজি পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com