বাংলাদেশ প্রতিদিন খবর
- মঙ্গলবার ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ / ১৩০ জন দেখেছে


সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :
নেত্রকোনা পৌরসভায় উন্নয়ন বঞ্চিত অবহেলিত মানুষের পাশে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছেন পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার। নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকেই প্রশাসনিক ও মানবিক কাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আরিফুল ইসলাম সরদার।
তিনি এই পৌরসভায় যোগদানের পর থেকে ধীরে ধীরে বদলে গেছে পৌরসভার অনেক কিছুই। তার এসব কর্মকান্ডে পৌরবাসীর কাছে তিনি এখন বেশ প্রশংসিত। পৌরসভায় সেবা গ্রহনে ইচ্ছুক যে কোনো শ্রেনি-পেশা ও ধর্ম-বর্নের মানুষ সরাসরি নির্ভয়ে প্রশাসনের সেবা গ্রহন করছেন। তার আচার, ব্যবহার, কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতায় মুগ্ধ পৌরবাসী। দাপ্তরিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সেবায় সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ সহ সাধারণ মানুষের কাছে তার নাম এখন জনপ্রিয়।
আরিফুল ইসলাম সরদার নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেই তিনি তার কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে তুলেছেন। তিনি এই পৌরসভায় যোগদানের মধ্যে তার বিভিন্ন গৃহীত কর্মকাণ্ডের জন্য সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন।তিনি পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে যোগদানের পর থেকেই মানবিক সেবার পাশাপাশি তার হস্তক্ষেপে বন্ধ হয়েছে দালালমুক্ত প্রশাসন এবং সেবা গ্রহনকারীদের হয়রানী।
সম্প্রীতি নেত্রকোনা পৌরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে ড্রেন বন্ধ হওয়ায় বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বন্ধ ড্রেনগুলি উন্মুক্ত করে দেন মানবিক প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার। কৃষি জমি রক্ষায় এ অভিযান পরিচালনার বিষয়টি খুবই ভালো চোখে দেখছেন পৌরসভার সাধারণ জনগণ। এতে ব্যাপক প্রশংসিতও হয়েছেন তিনি। পৌরসভা প্রশাসকের এটি একটি নতুন চমক হিসেবেও দেখছেন পৌরবাসী। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, এরকম দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশাসক থাকলে এই পৌরসভা আরো এগিয়ে যাবে অনেক দূর।
এদিকে পৌরসভায় সেবা নিতে আসা নাগরিকরা জানান,পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার এই পৌরসভায় যোগদানের পর থেকে পৌরসভার দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছেন। বিগত সময়ে পৌরসভার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসের দরজা সব সময় বন্ধ থাকত এবং কক্ষে প্রবেশের আগে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিস সহকারীর মাধ্যমে সাক্ষাৎ প্রার্থীদের অনুমতি’র বাধ্যবাধকতা ছিল।
আর এখন তিনি অফিস কক্ষের দরজা উন্মুক্ত রাখেন জনসাধারণের জন্য। আর এই কারনে অনুমতি ছাড়াই যে কেউ সাক্ষাৎ ও পরামর্শ নিতে পাচ্ছেন বর্তমান প্রশাসকের কাছে। পৌরসভার বেশ কয়েকজন নাগরিকের সাথে কথা বললে তারা বলেন, আমরা পৌরসভার ড্রেনের পানি নিস্কাশনের জন্য পৌরসভার প্রশাসক স্যারের কাছে গেলে আমাদের অভিযোগ খুব মনোযোগের সহিত ধৈর্য সহকারে শুনেন এবং সমাধান করে দেন।
পরে আমাদের প্রতি অনেক সম্মান দেখিয়ে বিদায় করে দেন। তার কথা অনুযায়ী তিনি পৌরসভার প্রতিটি এলাকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সমাধান করে দেন। তার কথা, কাজ ও ব্যবহারে মুগ্ধ পৌরবাসী।এরকম অভিজ্ঞ ও দক্ষ এই প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
এছাড়াও নেত্রকোনা পৌরসভায় অল্প সময়ে তার আরো অনেক অবদান রয়েছে যা শেষ করা যাবে না। পৌরসভায় সেবা নিতে আসা অনেকেই জানান, যে কোনো ব্যক্তি যার যে সমস্যা নিয়ে পৌরসভার প্রশাসক স্যারের কাছে আসুক না কেন তিনি ধৈর্য ও মনোযোগের সহিত তাদের কথা শুনেন এবং যার যেভাবে সমাধান হবে সেভাবেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
তারা আরো বলেন, আমরা যতটা প্রশাসকের নিকট থেকে পাওয়ার আশা করিনা তার চেয়ে বেশি কিছু পাই।নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, আমি ২৯ তম বিসিএস পরিক্ষায় প্রশাসশন ক্যাডারে কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীর্ন হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে চাকুরির পর নেত্রকোনায় স্হানীয় সরকারের উপপরিচালক হিসেবে যোগদান করি সেখান থেকে নেত্রকোনা পৌরসভায় প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।
উপরোক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফুল ইসলাম সরদার বলেন, সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করাই আমার চাকুরী। জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে পৌর প্রশাসন সর্বদা কঠোর অবস্থানে থাকবে। যেহেতু সেবা গ্রহনকারীদের মধ্যে অধিকাংশই গ্রামের সরল মানুষ।
এসি চালাতে গেলে দরজা বন্ধ রাখতে হয়, সে কারনে সেবা গ্রহনকারীদের মধ্যে প্রায় সবাই দরিদ্র ও অসহায় প্রকৃতির মানুষ তাই দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করতে তারা ভয় পান। অনুমতিরও ঝামেলা পোহাতে হয়, তাই অফিসের দরজা সব সময় উন্মুক্ত থাকে। তা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পৌর প্রশাসনকে তথ্য প্রদানে সহযোগিতা করতে অনুরোধ জানান তিনি।