শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চকরিয়া মালুমঘাট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পিকআপের যাত্রী নিহত মৌলভীবাজার জেলা এডাবের ত্রৈমাসিক সভা শ্রীমঙ্গলে বিক্রিত জমি রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে গোপনে অন্যত্র বিক্রির অভিযোগ যশোরের ঝিকরগাছায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকা সহ ব্যাবসায়ী আটক ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপর ‘তিন মাসে ‌‌১৩৩ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা’, উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের শ্রীমঙ্গলে সাড়ে ৮ হাজার লিটার ভোজ্য তেল মজুদ, এক প্রতিষ্টানকে অর্থদন্ড শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান বড়লেখায় ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ডিমলায় নবম শ্রেণির ছাত্রী গণধর্ষণের ৪৮ ঘন্টা না পেরুতেই ৬ বছরের শিশু ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ “অভাব নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারণ”—চ্যাম্পিয়ন ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়

নেত্রকোনার স্বরমুশিয়ায় ইতিহাসের সাক্ষী ২৩০ বছরের তিন গম্বুজ প্রাচীন মসজিদ

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা :
নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে এখনো দাড়িয়ে আছে ২৩০ বছরের প্রাচীন মসজিদ। প্রাকৃতিক ক্ষয়ক্ষতির দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এখনো দাড়িয়ে আছে সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক অনন্য স্থাপত্য স্বরমুশিয়া খাঁ বাড়ি তিন গম্বুজ জামে মসজিদ। ২৩০ বছরের এই প্রাচীন মসজিদটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং বাংলার মুসলিম স্থাপত্য ঐতিহ্যের জীবন্ত সাক্ষী।
বিশেষ সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে ১২১৭ হিজরিতে বাংলার বারো ভূঁইয়া সর্দার ঈসা খাঁর পুত্র মুসা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। সে সময়কার স্থাপত্যশৈলী বিবেচনায় এটি ছিলো অত্যন্ত টেকসই ও শৈল্পিক। মসজিদের দেয়ালের পুরুত্ব ৬ থেকে ৮ ফুট, যা সাধারণত রাজপ্রাসাদ বা দুর্গে দেখা যায়। ফলে স্থাপত্যে রাজকীয় দৃঢ়তার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে অতীতের ঐশ্বর্যের ছোঁয়াও। প্রথম দিকে মসজিদটিতে এক কাতারে ১৮ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। প্রায় তিন দশক আগে স্থানীয়দের উদ্যোগে বারান্দা সম্প্রসারণ করা হলে বর্তমানে সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৭০ জন মুসল্লির নামাজ আদায় সম্ভব হচ্ছে।
জানা যায়, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মেঝেতে নতুন টাইলস বসানোসহ বেশ কিছু সংস্কারও করা হয়েছে, যা মসজিদটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মসজিদটির সবচেয়ে নজরকাড়া বৈশিষ্ট্য হলো এর তিনটি গম্বুজ। ২৩০ বছরের ঐতিহ্য বুকে ধারণ করে থাকা এ মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, এটি গ্রামীণ মুসলিম সংস্কৃতিরও অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করছেন এবং অনুভব করছেন আরবের পুরনো ইসলামী স্থাপত্যশৈলীর ছায়া। মুসা খাঁর বংশধর মোতাহার হোসেন খান জানান, এই মসজিদটি শুধু অতীতের ঐতিহ্য নয়; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এটি এক অমূল্য ইতিহাসের আলো। স্থানীয়দের উদ্যোগে মসজিদটি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চলছে, যাতে এটি আরো বহু বছর ইসলামের আলো ছড়িয়ে যেতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com