শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
গ্যাসের সংকটের কারণে নতুন সংযোগ পাওয়া যেন কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেক বাড়িতে এখনও এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। তবে সিলিন্ডারে কতটুকু গ্যাস আছে তা সাধারণত বোঝা যায় না। রান্নার মাঝেই হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে গেলে সমস্যা দেখা দেয়। নতুন সিলিন্ডার আনতে সময় লাগে। তাই আগে থেকে গ্যাসের পরিমাণ জানা থাকলে এই ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিছু সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে সিলিন্ডারের অবশিষ্ট গ্যাসের পরিমাণ জানা সম্ভব।
ওজন পদ্ধতি,আরও নির্ভুল অনুমান করতে চাইলে ওজন পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের ওপরে খালি ওজন লেখা থাকে, যেমন ১৫.৩ বা ১৫.৫ কেজি। সিলিন্ডারের মোট ওজন পরিমাপ করুন এবং খালি ওজন বিয়োগ করুন। এতে অবশিষ্ট গ্যাসের প্রকৃত ওজন জানা যাবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি মোট ওজন ২৮.৫ কেজি হয় এবং খালি ওজন ১৫.৫ কেজি, তাহলে সিলিন্ডারে প্রায় ১৩ কেজি গ্যাস অবশিষ্ট থাকবে।
পানি পদ্ধতি,সিলিন্ডারের গ্যাসের স্তর পরীক্ষা করার সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় উপায় হলো পানি ব্যবহার করা। একটি গ্লাস বা মগে পানি নিন এবং সিলিন্ডারের ওপর থেকে নিচে ধীরে ধীরে ঢালুন। তারপর হাত দিয়ে সিলিন্ডারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত স্পর্শ করুন।
যেখানে সিলিন্ডার ঠাণ্ডা বোধ করবে, সেখানেই গ্যাস রয়েছে। সিলিন্ডারের তলায় সাধারণত গরম অনুভূত হবে কারণ সেখানে গ্যাস নেই। এলপিজি তরল আকারে থাকে এবং এর বাষ্পীভবন শীতলতা তৈরি করে। এই কৌশলটি সহজ এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল দেয়। যদি সবচেয়ে ঠাণ্ডা অংশ কম থাকে, সিলিন্ডার শীঘ্রই খালি হতে চলেছে—এমন ক্ষেত্রে নতুন সিলিন্ডার আগে থেকে বুক করা উত্তম।