রবিবার, ১৪ Jun ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা হেলাল উদ্দিন আটক রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় রায়:পর্যবেক্ষণে যা বললেন বিচারক কক্সবাজারে ঘুষে চলছে শতাধিক অবৈধ ভাটা, সংরক্ষিত বনে ৩১ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বাসা থেকে চুরি ওয়া মালামাল উদ্ধার, কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন ধরেনি পুলিশ চুনতি ১৯দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.)’র ৫৬ তম মাহফিলে’র প্রস্তুতি সভা: বাজেট সাড়ে পাঁচ কোটি চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা বিরূপ আবহাওয়ার কারণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অপূর্ণ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম

প্রকৃত খুনিও নয় শিক্ষক কেন প্রদান আসামি? 

 

মোঃ রেজাউল হক রহমত ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দিতে জোড়া খুনের ঘটনায় ‘প্রকৃত হত্যাকারীর’ পরিবর্তে একজন স্কুলশিক্ষককে হত্যা মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

 

পুলিশ অবশ্য বলছে, মামলায় যার নামই থাকুক, তদন্তে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হলে কাউকে হয়রানি করা হবে না।

 

গত ১ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে বড়িকান্দি গণি শাহ মাজার সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আকস্মিক হামলায় গুলিবিদ্ধ হন তিনজন শিপন (৩০), ইয়াছিন (২০) ও নূর আলম (১৮)। হামলার পরপরই আরেকদল সন্ত্রাসী তালতলায় গিয়ে এমরান হোসেন মাস্টারের (৪২) অফিস ভাঙচুর ও তাকে গুলি করে।

 

গুলিবিদ্ধ শিপন ও ইয়াছিন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এমরান মাস্টার এখনও ঢাকায় চিকিৎসাধীন। স্থানীয়দের দাবি, এমরান মাস্টার ঢাকায় কর্মরত এক উপ-পুলিশ কমিশনারের ছোটভাই।

 

নিহত শিপনের মা বাদী হয়ে দায়ের করা হত্যা মামলায় এমরান হোসেন মাস্টারকে প্রধান আসামি করা হয়।

 

অপর মামলার বাদী এমরান মাস্টারের চাচাতো ভাই; সেখানে শিপনের বাবা মনেক ডাকাতকে প্রধান আসামি করা হয়। মনেকের বিরুদ্ধে থানায় ২০টির বেশি মামলা রয়েছে।

 

এলাকাবাসীর দাবি, হামলার রাতে শিপনকে গুলি করেছে রিফাত বাহিনীর প্রধান রিফাত ও তার সহযোগীরা—এটি সবার জানা। কিন্তু হত্যা মামলায় রিফাতের নামই নেই। বরং ভিলেজ পলিটিক্সের জেরে এমরান মাস্টারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

 

যদিও মামলার এজাহারে রিফাতের নাম না থাকলেও তার ভাই আরাফাতকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

 

এরমধ্যে র‍্যাব ও পুলিশ রিফাতসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে রিফাত (৩০), লিমন (২৮), রুবেল (৪৫) ও রাশেদুল (৩৪)।

 

নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলাম জানান

 

মামলার বাদী কাকে আসামি করবেন, এটি সম্পূর্ণ তাদের এখতিয়ার।

 

তবে তদন্তে রিফাত ও গ্রেপ্তার হওয়া অন্যদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে।

 

কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তাকে হয়রানি করা হবে না।

 

সঠিক তদন্তের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হবে।

 

 

স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত অপরাধীকে বাদ দিয়ে একজন স্কুলশিক্ষককে জড়িয়ে দেওয়ায় এলাকায় বিভ্রান্তি ও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com