সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম রাঙ্গুনিয়ায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীমঙ্গলে চায়ের স্বাদ নির্ণয় ও মান নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ১০, মাদক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার

নবীনগর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জনবল সংকটে প্রশাসনিক স্থবিরতা

মোঃ রেজাউল হক রহমত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে চলছে মারাত্মক জনবল সংকট। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় অফিসের প্রশাসনিক ও শিক্ষা তদারকি কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

 

অফিস সূত্রে জানা গেছে, জনবল কাঠামো অনুযায়ী এই অফিসে অফিস সহায়ক পাঁচটি পদ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তিনটি পদ এবং একটি উচ্চমান সহকারী পদ থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র একজন—হিসাব সহকারী আবু হানিফ। ফলে অফিসের দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

 

নবীনগর উপজেলার আওতায় বর্তমানে ১১টি ক্লাস্টারে ২১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ১১ জন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র দুইজন। এর ফলে মাঠ পর্যায়ের তদারকি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা শিক্ষার গুণগত মানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

 

অফিস সূত্রে জানা যায়, এই অফিসের উপর নির্ভরশীল প্রায় ১,৪০০ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন, চিকিৎসা ছুটি, মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্তমানে বিলম্বিত অবস্থায় রয়েছে।

 

বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মানিক ভুইয়া। তিনি জানান,

 

জনবল সংকটের বিষয়টি আমরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। তিনি ইতিমধ্যে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। অচিরেই একজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন।”

 

 

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব চৌধুরী বলেন

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের জনবল সংকট বিষয়ে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় আলোচনা হয়েছে। বিষয়টি আমরা লিখিতভাবে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।”

 

 

স্থানীয় শিক্ষকরা মনে করছেন, দ্রুত পদ পূরণ না হলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com