সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা হেলাল উদ্দিন আটক রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় রায়:পর্যবেক্ষণে যা বললেন বিচারক কক্সবাজারে ঘুষে চলছে শতাধিক অবৈধ ভাটা, সংরক্ষিত বনে ৩১ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বাসা থেকে চুরি ওয়া মালামাল উদ্ধার, কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন ধরেনি পুলিশ চুনতি ১৯দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.)’র ৫৬ তম মাহফিলে’র প্রস্তুতি সভা: বাজেট সাড়ে পাঁচ কোটি চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা বিরূপ আবহাওয়ার কারণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অপূর্ণ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম

কয়েক সপ্তাহ ফুরফুরে মেজাজ, দাম কমায় এখন দুশ্চিন্তা শঙ্খচরে শীতকালীন আগাম সবজি মুলার চাষ

 

শীতকালীন আগাম সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত শঙ্খচর। চন্দনাইশ–সাতকানিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শঙ্খ নদীর দুই কূলে প্রতি মৌসুমে উৎপাদিত হয় শত শত কোটি টাকার শীতকালীন সবজি। নদীর দুই কূলের দোহাজারী পৌরসভা, ধোপাছড়ি, পুরানগড়, বাজালিয়া, ধর্মপুর, কালিয়াইশ, খাগরিয়াসহ বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল জুড়ে চাষাবাদ হয় শীতকালীন মুলা, বেগুন, শিম, ফুলকপি, বাধাকপিসহ হরেক রকমের সবজি।

 

শীতকালীন আগাম সবজির মধ্যে প্রতি মৌসুমে কৃষকরা প্রথমেই বাজারে তুলেন মুলা। গত ১ মাস ধরে এসব চরাঞ্চলের কৃষকরা বিপুল পরিমাণ মুলা বাজারে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন ভোরের আলো ফুটতে শত শত কৃষক খাঁচায় মুলা নিয়ে শঙ্খ নদীপথে বাজারে আসেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে মুলার খাঁচায় পূর্ণ হয়ে যায় দক্ষিণ চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি সবজি বাজার রেলওয়ে স্টেশন ময়দান, যা রাশিয়ার ফিল্ড নামে পরিচিত। প্রতি মৌসুমে কৃষকরা আগাম মুলা বিক্রি করে ভালো দাম পান। বিগত ১ মাস ধরে কৃষকরা প্রতি ভার মুলা (আনুমানিক ৮০ থেকে ৯০ কেজি) ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছেন। বেশ কয়েক সপ্তাহ ভালো দামে মুলা বিক্রি করতে পেরে ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন কৃষকরা। কিন্তু বিগত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ মুলার দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানালেন কৃষকরা।

 

গতকাল শনিবার ভোরে দোহাজারী রেলওয়ে স্টেশন মাঠে গিয়ে দেখা যায়, মুলার খাঁচায় ভরে উঠেছে পুরো মাঠ। ধবধবে সাদা মুলা যে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এ সময় কথা হয় শঙ্খ চরের নবীন কৃষক সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের আবু বক্করের ছেলে মোহাম্মদ মারুফের সঙ্গে। তিনি জানান, গত সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে মুলার দাম নেমে এসেছে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। অথচ এক সপ্তাহ আগেও ভালো মানের এক ভার মুলার দাম ছিল ৪ হাজার টাকার উপরে। অথচ জমি তৈরি, চারা রোপণ, পরিচর্যা, সার, কীটনাশক প্রয়োগ, মুলা তুলে ধুয়ে বাজারে নিয়ে আসা পর্যন্ত প্রতি ভার মুলায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ে। সামনে দাম আরো কমবে বলে জানান তিনি। এভাবে মুলার দাম কমে যাওয়ায় আগাম মুলা চাষিরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। এতে শত শত কৃষক হতাশায় ভুগছেন। গত মৌসুমেও মুলার দাম কমে যাওয়ায় শত শত কানি জমির মুলা তুলে ফেলে দিয়েছিলেন কৃষকরা।

 

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আজাদ হোসাইন জানান, মুলত শঙ্খ নদীর চরাঞ্চলের কৃষকরা লাভবান হওয়ার আশায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষাবাদ শুরু করেন। প্রায় সব কৃষকই একই সাথে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করায় এবং একই সাথে বাজারে তুলার প্রতিযোগিতা দেয়ায় অনেক সময় সবজির দাম কমে যায়। চলতি মৌসুমেও প্রায় সব কৃষক একই সাথে আগাম শীতকালীন সবজির মধ্যে অন্যতম মুলার চাষাবাদ করেছেন এবং বাজারেও আনছেন একই সময়ে। পাশাপাশি অন্যান্য অঞ্চল থেকেও পর্যাপ্ত পরিমাণে সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। হয়তো এ কারণে বর্তমানে মুলার দাম পড়ে গেছে। এক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ে যাচাই–বাচাই করে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রণোদনা দেয়া হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com