সোমবার, ১৫ Jun ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
লোহাগাড়ায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৌলানা হেলাল উদ্দিন আটক রামিসা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় রায়:পর্যবেক্ষণে যা বললেন বিচারক কক্সবাজারে ঘুষে চলছে শতাধিক অবৈধ ভাটা, সংরক্ষিত বনে ৩১ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট উৎপাদন বড়লেখায় ডাকাতির চেষ্টা ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকের বাসা থেকে চুরি ওয়া মালামাল উদ্ধার, কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন লামায় সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, ফোন ধরেনি পুলিশ চুনতি ১৯দিনব্যাপী সীরতুন্নবী (স.)’র ৫৬ তম মাহফিলে’র প্রস্তুতি সভা: বাজেট সাড়ে পাঁচ কোটি চট্টগ্রাম-কেন্দ্রীয় কারাগার অঞ্চলভেদে ৪ ভাগ করার পরিকল্পনা বিরূপ আবহাওয়ার কারণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা অপূর্ণ প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম

টেকনাফ থানার ওসি জায়েদ নূরের বিচক্ষণতায় অপহৃত কিশোর উদ্ধার

 

মোঃ সেলিম উদ্দিন খাঁন

“পুলিশ জনগণের বন্ধু” এই কথাটি পুলিশের দায়িত্ব, কর্তব্যে বুঝা যায়। কক্সবাজারের টেকনাফে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবিতে অপহৃত এক কিশোরকে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ মডেল থানার একটি বিশেষ দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের মোচনী রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে অপহৃত কিশোর মো. রিয়াজ উদ্দিনকে (১৫) উদ্ধার করে। তিনি টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লেদা এলাকার আবদুর রশিদের ছেলে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে। রিয়াজ প্রতিদিনের মতো টমটম গাড়ি চালানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। সেদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দুপুর ১২টার দিকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি রিয়াজের বাবার মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায়, রিয়াজ তাদের হেফাজতে রয়েছে এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে চাইলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। মুক্তিপণ না দিলে রিয়াজকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা আবদুর রশিদ বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে জানান। পরবর্তীতে এসআই নাজমুল হক সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান শুরু করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। তবে কৌশলে কিশোর রিয়াজ উদ্দিনকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পুলিশ জানায়, পলাতক অপহরণকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, “অভিযানে কোনো ধরনের ক্ষতি ছাড়াই ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অপহরণকারীরা চিহ্নিত৷ তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।” দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন” পুলিশের মূলমন্ত্র, যা

জনগণের বন্ধু হিসেবে প্রমাণ করে।স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে হ্নীলা ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবারের সফল এ অভিযানে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com