সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি:
উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সভাপতি মো: ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম উদ্দিন খান,  বার্তা প্রধান : মোহাম্মদ আসিফ খোন্দকার, আইনবিষয়ক সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ইলিয়াস , যোগাযোগ : ০১৬১৬৫৮৮০৮০,০১৮১১৫৮৮০৮০, ঢাকা অফিস: ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম রোড, চৌধুরী মল (৫ম তলা), টিকাটুলি ১২০৩ ঢাকা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ মেইল: bdprotidinkhabor@gmail.com চট্টগ্রাম অফিস: পিআইবি৭১ টাওয়ার , বড়পুল , চট্টগ্রাম।
সংবাদ শিরোনাম:
চট্টগ্রামে মেসাজ পার্লারের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নেতৃত্ব দিচ্ছেন উজ্জল দাশ ধামইরহাটে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কারিগরি প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ধামইরহাটে জাতীয় পুষ্টি মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে পুলিশের বড় অভিযান: ৫ হাজার লিটার চোলাইমদ জব্দ ও ধ্বংস কক্সবাজারে ঈদগাঁও ইউপি সদস্য অপহরণ,৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি জ্বালানি তেলের দামে অস্থির চট্টগ্রামের বাজার, বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম রাঙ্গুনিয়ায় দুই অবৈধ ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা শ্রীমঙ্গলে চায়ের স্বাদ নির্ণয় ও মান নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারিসহ আটক ১০, মাদক উদ্ধার শ্রীমঙ্গলে বিপন্ন প্রজাতির তক্ষক উদ্ধার

রাজশাহীর পদ্মায় কুমির, নদীতে গোসল না করতে মাইকিং  

 

রাজশাহী অফিস:

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে একাধিক কুমিরের দেখা মিলেছে। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক একটি কুমিরের ছবি তুলেছেন আলোকচিত্রী দম্পতি ইমরুল কায়েস ও উম্মে খাদিজা ইভা। ছোট কুমির দেখেছেন স্থানীয় জেলেরা। এ অবস্থায় নদীতে গোসল না করতে এলাকাবাসীকে মাইকিং ও লিফলেটের মাধ্যমে সতর্ক করছে রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।

 

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পদ্মার ষাটবিঘা চরে পাখির ছবি তুলতে গিয়ে কায়েস দম্পতি কুমিরটির দেখা পান। ড্রোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবিতে স্পষ্টভাবে দেখা যায় কুমিরটি পানির ধারে রোদ পোহাচ্ছে। স্থানীয় রাজু আহাম্মেদ প্রথম কুমিরটি দেখেছিলেন গরু চরাতে গিয়ে। আইইউসিএন জানিয়েছে, ছবিতে দেখা প্রাণীটি মিঠাপানির কুমির, যা বাংলাদেশে বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।

 

আইইউসিএনের মুখ্য গবেষক এ বি এম সারোয়ার আলম জানান, ২০১৫ সালে মিঠাপানির কুমির বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। পরে পাবনা ও আরও দুটি স্থানে কুমির দেখা যায়, যেগুলো এখন সুন্দরবনের করমজল প্রজননকেন্দ্রে সংরক্ষিত। তিনি ধারণা করছেন, রাজশাহীর কুমিরটি সম্ভবত ভারতের চাম্বুল নদ এলাকা থেকে এসেছে।

 

 

রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, স্থানীয় জেলেরা ছোট কুমিরও দেখেছেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, পদ্মায় একাধিক কুমির রয়েছে। তিনি বলেন, “এগুলো জলজ প্রাণী, জলেই থাকুক। তাদের বিরক্ত করা যাবে না।”

 

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ প্রশাসনের কাছে কুমিরটি ধরে নেওয়ার অনুরোধ করেছেন। তবে আলোকচিত্রী ইমরুল কায়েস চান, কুমিরটি যেন মুক্তভাবে নদীতেই থাকে, যাতে এর প্রজনন সম্ভব হয়। তাঁর আশঙ্কা, আইইউসিএন কুমিরটিকে ধরে নিয়ে যেতে পারে।

 

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা বিভাগের লিফলেটে বলা হয়েছে, কুমির হিংস্র হলেও তারা জলজ বাস্তুতন্ত্রে ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই কুমির দেখলে বিরক্ত না করা, নদীতে গোসল না করা, শিশুদের নদীর ধারে না পাঠানো, ছোট নৌকা চলাচল সাময়িক বন্ধ রাখা এবং রোদ পোহানো কুমিরের দিকে ঢিল না ছোড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

লিফলেটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী কুমিরকে বিরক্ত করা, ধরা, হত্যা করা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Design & Development BY ThemeNeed.Com